পঞ্চগড়ে তিনদিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, এক অঙ্কে তাপমাত্রা

সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিললেও কনকনে ঠাণ্ডায় নিম্ন আয়ের শ্রমিকরা দুর্ভোগে পড়েছেন।

এ মৌসুমে তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির ঘরে নেমে গেছে গতকাল। দুদিন থেকে এ জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি আছে। ডিসেম্বরের বাকি দিনগুলোয় তাপমাত্রা আরো কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পঞ্চগড়ে মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ গত তিনদিন ধরে বিরাজ করছে। তাপমাত্রা কমে গিয়ে এক অঙ্কে নেমে গেছে। আজ শনিবার সকাল ছয়টায় ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। সেই সঙ্গে, ১০-১২ কিলোমিটার গতিবেগে বাতাস বয়ে যাচ্ছে মাঝে মাঝে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি রেকর্ড হয়েছে। সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিললেও কনকনে ঠাণ্ডায় নিম্ন আয়ের শ্রমিকরা দুর্ভোগে পড়েছেন। সকালে রোদ উঠলেও রোদের তীব্রতা নেই। বিশেষ করে বালু এবং ইজিবাইক চালকরা পড়েছেন বিপাকে। রাতের বেলায় শীতের তীব্রতা বেড়ে যায় আর, সকালে সূর্য ওঠার আগ পর্যন্ত থাকে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার প্রকোপ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা স্বস্তি মেলে জনজীবনে।

শনিবার সকালে পঞ্চগড় পৌর এলাকার ইজিবাইক চালক খলিলুর রহমান জানান, রোদের দেখা মিললেও কনকনে ঠাণ্ডায় কষ্টে আছেন তিনি। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে রাতভর প্রচণ্ড শীতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বালুশ্রমিক হাশিবুল ইসলাম জানান, গরমের দিনে তারা সকাল ছয়টার দিকে নদীতে নেমে বালু উত্তোলনের কাজ শুরু করতে পারেন। কিন্ত বর্তমানে সকাল আটটা পর্যন্ত ঠাণ্ডার কারণে বালু তুলতে পারছেন না। এতে কাজে বিলম্ব হচ্ছে।

তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগাড়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, এ মৌসুমে তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির ঘরে নেমে গেছে গতকাল। দুদিন থেকে এ জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে রোদ থাকায় কিছুটা স্বস্তি আছে। ডিসেম্বরের বাকি দিনগুলোয় তাপমাত্রা আরো কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও