ছাত্র, শিক্ষকসহ সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানানো হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করে।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩৬তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের সব ধরনের রাজনৈতিক সংগঠন এবং এর কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিষিদ্ধ করা হলো। এ আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় বিধান অনুযায়ী শাস্তি দেয়া হবে বলেও জানানো হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়েও ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার রাতে উপাচার্যের অনুমোদনক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. হুমায়ুন কবীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ৭ আগস্ট জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী ব্যক্তিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক হয়। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নজরুল ভাস্কর্যে ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধসহ সাত দফা দাবি জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। এ সময় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ এবং অবিলম্বে আইন প্রণয়ন করে ছাত্র সংসদ চালু করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।