জেলাটির ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি ক্ষোভ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা আরো তীব্র করে তুলেছিল, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভূমি তৈরিতে ভূমিকা রাখে। স্বাধীনতার পরও দেশের রাজনীতিতে বরাবরই অত্যন্ত সক্রিয় ও প্রভাবক ভূমিকা রেখেছে জেলাটি। জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকজন নেতাই উঠে এসেছেন ভোলা থেকে। ক্ষমতা বলয়ের ভেতরে ও বাইরে থেকে বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ অনেকাংশেই প্রভাবিত করেছেন তারা। ফলে সময়ের পরিক্রমায় ভোলা কেবল একটি দ্বীপজেলা হিসেবেই নয়, জাতীয় রাজনীতির প্রভাবশালী নেতৃত্ব তৈরির অন্যতম সূতিকাগার হিসেবেও পরিচিতি পায়।
স্বাধীনতার পর ভোলার যেসব রাজনীতিবিদ জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক মাত্রায় প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তোফায়েল আহমেদ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, প্রয়াত নাজিউর রহমান মঞ্জুর প্রমুখ। রাজনৈতিক বিশ্লেষক, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের রাজনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রলয়ংকরী সাইক্লোনের পর ভোলা জেলাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। একই সঙ্গে দক্ষ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থানের মাধ্যমে ভোলা জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করে। তবে জেলাটি কখনই কোনো একক দলের শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হয়নি। বরং বিভিন্ন আসন থেকে ভিন্ন দল থেকে একাধিক জাতীয় নেতা উঠে এসেছেন। যারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে জেলার রাজনীতি ও উন্নয়নে ভূমিকা রেখে গেছেন।
জাতীয় রাজনীতির ভেতর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে ভোলার এ তিন নেতার রাজনৈতিক উত্থান ও কার্যক্রম ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তার মতে, ভোলার তিন নেতার রাজনৈতিক উত্থানের পথ ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘তোফায়েল আহমেদ ছিলেন জন্মগত রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুণসম্পন্ন একজন মানুষ। বরিশালের বিএম কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে তার উত্থান ঘটে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হলে ভিপি নির্বাচিত হন এবং সেই ধারাবাহিকতায় ডাকসুর ভিপি হন। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্রসমাজের ঐক্যের প্রতীক হয়ে ওঠেন তোফায়েল আহমেদ। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি মুজিব বাহিনীর অন্যতম নেতৃত্বে ছিলেন।’
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ সম্পর্কে মান্না বণিক বার্তাকে বলেন, ‘তিনি ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ক্রীড়াবিদ হিসেবেও জনপ্রিয় ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রিয় ক্রীড়াবিদ এবং রাজনৈতিক পরিবার থেকে উঠে আসার কারণে তিনি দ্রুত বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।’ প্রয়াত নাজিউর রহমান মঞ্জুর ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ ঘনিষ্ঠ হলেও আদর্শভিত্তিক রাজনীতিতে খুব বেশি সম্পৃক্ত ছিলেন না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত যোগাযোগের সূত্রে তিনি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ঘনিষ্ঠ হন, এরশাদ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান।’
সত্তরের নভেম্বরে ভোলা, মনপুরা, তজুমদ্দিন, চরফ্যাশন ও আশপাশের দ্বীপাঞ্চলে জলোচ্ছ্বাসহ তীব্র ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। দেশের ইতিহাসে এটি ছিল অন্যতম প্রলয়ংকরী প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ওই সাইক্লোনের এক মাসের মধ্যেই ১৯৭০ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তোফায়েল আহমেদ। তবে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই ছাত্ররাজনীতিতে আলোচনায় আসেন। ১৯৬৮-৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি মুজিব বাহিনীর চার আঞ্চলিক প্রধানের একজন ছিলেন। স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমান তাকে রাজনৈতিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেন, যা তাকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে আসে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভোলার অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের একজন। সাবেক সেনা কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, ক্রীড়াবিদ ও রাজনীতিক—বহুমাত্রিক পরিচয়ে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে জন্মগ্রহণ করা হাফিজ উদ্দিন আহমদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হয়ে ১৯৭৬ সালে অবসর নেন।
ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমদ সাতবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯১ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে গেলেও পরের বছর বিএনপিতে যোগ দেন। পরে তিনি দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হন। বিএনপি সরকারে তিনি ১৯৯৬ সালে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১ সালে পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করলে তাকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়। পরে জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন তিনি।
মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে আলাদা গুরুত্ব বহন করে। ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ যশোর ক্যান্টনমেন্টে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে যুদ্ধে অংশ নেন তিনি। পরে প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নেতৃত্বে যশোর-খুলনা ও সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি রাষ্ট্রীয় খেতাব ‘বীর বিক্রম’ লাভ করেন। রাজনীতির পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনেও হাফিজ উদ্দিন আহমদের পরিচিতি রয়েছে। তিনি পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলের সদস্য ও অধিনায়ক ছিলেন এবং দীর্ঘ সময় ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে খেলেছেন।
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ পরিচ্ছন্ন ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। এলাকাবাসীর সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়েও তার গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি হয়েছে, যা এলাকার মানুষের জন্য গর্বের বিষয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘ভোলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আরো যারা জাতীয় রাজনীতিতে উঠে এসেছেন রাজনৈতিক মতাদর্শগত পার্থক্যের কারণে তাদের সবার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে একমত না হলেও তারা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছেন।’
ভোলার আরেক প্রভাবশালী নেতা প্রয়াত নাজিউর রহমান মঞ্জুর ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ছিলেন সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র। তার নেতৃত্বে ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)। দলটির মার্কা গরুর গাড়ি। বর্তমানে তার সন্তান ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ দলটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি প্রথম জীবনে ভোলায় বেড়ে ওঠেন এবং পরবর্তী সময়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় আসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি বিকম ও এমকম সম্পন্ন করেন। সে সময় তিনি ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৬৯ সালের গণ-আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ৯ নম্বর সেক্টরে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাবার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন।
পরে তিনি জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৭ সালে প্রতিমন্ত্রী এবং ১৯৮৯ সালে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ১৮ দফা বাস্তবায়ন পরিষদের পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় পরিষদের অন্যতম সদস্য ছিলেন নাজিউর রহমান মঞ্জুর, খুলনা বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ১৮ দফা বাস্তবায়ন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক নিযুক্ত হন, যে কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন এরশাদ। সাংগঠনিক দক্ষতার অধিকারী নাজিউর রহমান বিভিন্ন সময়ে জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
নাজিউর রহমান মঞ্জুরের সন্তান ড. আশিকুর রহমান শান্ত বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বাবা কখনই কেবল শহরকেন্দ্রিক রাজনীতি করেননি, বরং পুরো ভোলা জেলার সার্বিক উন্নয়নকে কেন্দ্র করে কাজ করেছেন। ভোলার মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। রাজনৈতিক জীবনের মূল ফোকাস ছিল স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন। ভোলার প্রতি তার আবেগ ও দায়বদ্ধতা ছিল। ভোলার উন্নয়নকে কেন্দ্র করেই তার রাজনৈতিক চিন্তা ও কর্মকাণ্ড আবর্তিত হতো। জেলার নদীভাঙনপ্রবণ অঞ্চল, চরফ্যাশন, মনপুরা, তজুমদ্দিনসহ পুরো জেলাজুড়ে তার উন্নয়ন কার্যক্রম বিস্তৃত ছিল।’
ভোলার মতো একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে জাতীয় রাজনীতিতে উঠে আসার পেছনে ছাত্ররাজনীতির সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক তানজীম উদ্দীন খান। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ভোলার যেসব নেতা জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তাদের অনেকেই ছাত্রজীবন থেকেই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ তাদের পরিচিতি ও নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঢাকার বাইরের অনেক অঞ্চল থেকেই নেতা উঠে এসেছেন। বিশেষ করে যারা ছাত্ররাজনীতিতে সফল হন, তাদের অনেকেই পরে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হন। ভোলার নেতাদের ক্ষেত্রেও সেই বাস্তবতাই কাজ করেছে।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষক, লেখক ও গবেষক আলতাফ পারভেজ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘তোফায়েল আহমেদ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ও প্রয়াত নাজিউর রহমান মঞ্জুর মূলত জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিবিদ। ভোলা তাদের শিকড় ও নির্বাচনী এলাকা হলেও তাদের পরিচয় কেবল আঞ্চলিক রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ নয়। তাদের রাজনীতি ছিল জাতীয় পরিসরের, তবে তারা নিজেদের এলাকার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।’
আলতাফ পারভেজের মতে, সে সময়ের রাজনীতিতে জনগণের সমর্থন ও স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা ছিল বড় নিয়ামক। তাই জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় নেতারাও নির্বাচনী এলাকার সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখতেন। তবে সবার রাজনৈতিক উত্থানের পথ এক ছিল না। কেউ ছাত্ররাজনীতি ও মাঠপর্যায়ের সংগঠন থেকে উঠে এসেছেন, আবার কারো ক্ষেত্রে ‘টপ-ডাউন’ প্রভাব বেশি ছিল। তবু ভিন্ন পথের হলেও তারা সবাই এলাকার সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রেখেছিলেন।