ইপিএ কার্যকরের পর বাংলাদেশের কোন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যাচাই করতে হবে: পররাষ্ট্রসচিব

তিনি বলেন, ‘কম্প্রিহেনসিভলি দুই দেশই উপকৃত হবে। কোনো পার্টিকুলার সেক্টর উপকৃত হবে কিনা, এটা ইপিএ চালু হওয়ার পর আমাদের পরীক্ষা করে দেখতে হবে যে কোন কোন সেক্টর কী কী কারণে ডিজঅ্যাডভান্টেজ হচ্ছে। আমি মনে করি, সেখানে পরবর্তীতে আলোচনার সুযোগ রয়েছে।’

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকর হওয়ার পর কোন কোন খাত সুবিধা পাবে এবং কোনো কোনো পণ্য রফতানিতে প্রতিযোগিতাগত অসুবিধা তৈরি হবে কিনা, তা পর্যালোচনা করতে হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম। চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার পর নির্দিষ্ট খাতের সম্ভাব্য অসুবিধা চিহ্নিত করে সেগুলো নিয়ে আলোচনার সুযোগ থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর উপলক্ষে ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রসচিব।

বাংলাদেশের জাপানমুখী রফতানিতে বিশেষ করে চামড়াজাত পণ্যের রফতানি কমে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে জানতে চাইলে আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ইপিএ একটি সামগ্রিক অর্থনৈতিক চুক্তি। কোনো নির্দিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে অসুবিধা তৈরি হলে অন্য কোনো পণ্যের সুবিধার মাধ্যমে তার ভারসাম্য তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘কম্প্রিহেনসিভলি দুই দেশই উপকৃত হবে। কোনো পার্টিকুলার সেক্টর উপকৃত হবে কিনা, এটা ইপিএ চালু হওয়ার পর আমাদের পরীক্ষা করে দেখতে হবে যে কোন কোন সেক্টর কী কী কারণে ডিজঅ্যাডভান্টেজ হচ্ছে। আমি মনে করি, সেখানে পরবর্তীতে আলোচনার সুযোগ রয়েছে।’

পররাষ্ট্রসচিব জানান, ইপিএ স্বাক্ষরিত হলেও চুক্তি কার্যকরের আগে দুই দেশের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে হবে। জাপানের পার্লামেন্টে অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর চুক্তিটি কার্যকর হবে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর জাপান সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জাপানের বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের প্রবেশাধিকার এবং ইপিএর কার্যকর বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও