রায়ে সন্তুষ্ট, তবে অমিত শাহেরও ফাঁসি চান আবরারের মা

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র আবরারকে ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় মামলা করেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ। পরে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার কার্যক্রম শুরু হয়।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায়ে সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন তার মা রোকেয়া খাতুন। তবে তিনি প্রত্যাশা করেছিলেন যে, মামলার সব আসামির ফাঁসি হবে।

 

আজ বুধবার দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

 

এ রায়ের প্রতিক্রিয়ায় নিজেদের কুষ্টিয়ার বাড়িতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রোকেয়া খাতুন। তিনি বলেন, আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, আমি ২৫ জনেরই ফাঁসি চেয়েছিলাম। অমিত শাহ নামের আসামি তো সবকিছুর সঙ্গেই ছিল। আমি তারও ফাঁসি চাই।

 

আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ বলেন, রায়ে তিনি সন্তুষ্ট। তবে যেসব আসামি এখনো পলাতক, তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। পাশাপাশি দ্রুত রায় কার্যকরেরও দাবি জানান তিনি।


রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আবরারের বাবা ও মামলার বাদী বরকত উল্লাহ। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রায়ে সন্তুষ্ট নয় জানিয়ে পুরো রায় দেখে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।

 

রায় ঘোষণার আগে আজ সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মামলার ২২ আসামিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। বাকি তিন আসামি এখনো পলাতক।


গত ২৮ নভেম্বর আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণার কথা ছিল। কিন্তু রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১র বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন। ওইদিনও আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়েছিল।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের আবাসিক ছাত্র আবরারকে ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় মামলা করেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ। পরে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার কার্যক্রম শুরু হয়।


আরো পড়ুন: আবরার হত্যা: ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড, পাঁচজনের যাবজ্জীবন



আরও