রৌমারীর শূন্যরেখা থেকে উধাও বিএসএফের ঠেলে পাঠানো তিন যুবক

আজ বুধবার ভোর থেকে ইজলামারী সীমান্তের শূন্যরেখায় ওই তিন যুবকের আর কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে তারা শূন্যরেখায় নেই। তবে তারা কোথায় গেছেন, নাকি কোনো পক্ষ তাদের সরিয়ে নিয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ইজলামারী সীমান্তে নাগরিকত্ব জটিলতায় ১৭ দিন ধরে শূন্যরেখায় অবস্থান করা তিন যুবককে আর সেখানে দেখা যাচ্ছে না। তারা কোথায় গেছেন বা কীভাবে সেখান থেকে সরে গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

আজ ভোর থেকে ইজলামারী সীমান্তের শূন্যরেখায় ওই তিন যুবকের আর কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে তারা শূন্যরেখায় নেই। তবে তারা কোথায় গেছেন, নাকি কোনো পক্ষ তাদের সরিয়ে নিয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত ১৪ জুন রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে দুই শিশুসহ ছয়জন এবং ইজলামারী সীমান্ত দিয়ে তিন যুবককে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

এ সময় বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা দুই দেশের মধ্যবর্তী শূন্যরেখায় অবস্থান নেন।

গয়টাপাড়া সীমান্তে অবস্থান করা দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাকে চার দিন পর সেখান থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। এর এক সপ্তাহ পর সেখানে থাকা আরো দুই যুবকও উধাও হয়ে যান।

তবে ইজলামারী সীমান্তের শূন্যরেখায় তিন যুবক রয়ে যান। তারা টানা ১৭ দিন খোলা আকাশের নিচে রোদ ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছিলেন। আজ ভোর থেকে তাদেরও দেখা যাচ্ছে না।

জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক হাসানুর রহমান বলেন, তিন যুবক টানা ১৭ দিন ইজলামারী সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছিলেন। বুধবার ভোর থেকে তাদের আর সেখানে দেখা যাচ্ছে না। তারা কোথায় গেছেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি জানতে বিজিবির নজরদারি ও অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরো জানান, সীমান্ত দিয়ে নতুন করে কাউকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা ঠেকাতে পুরো সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আরও