তিনি ভূমিকে পরিবেশগত ব্যয় হিসেবে নয়, বরং অর্থনৈতিক ও উন্নয়নগত অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করার পরামর্শ দেন।
গতকাল মঙ্গোলিয়ার উলানবাটরে জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশনের ১৭তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজের (ইউএনসিসিডি কপ১৭) ফাইন্যান্স ডে উপলক্ষে ‘স্বাস্থ্যকর ভূমি ও খরাসহনশীলতায় উদ্ভাবনী অর্থায়ন ব্যবস্থা’ শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ভূমি অবক্ষয় কমাতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে মাটির উর্বরতা, বনভূমি, জলাবদ্ধতা, পাহাড়ি ভূমিক্ষয়, উপকূলীয় লবণাক্ততা এবং নদীভাঙনের মতো বিষয়গুলোকে জাতীয় পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’
এ সময় ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমি পুনরুদ্ধারে কার্যকর অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি গ্যারান্টি, প্রাথমিক ক্ষতির মূলধন ও মিশ্র অর্থায়ন ব্যবহারের আহ্বান জানান পরিবেশমন্ত্রী।
মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্ট খুরেলসুখ উখানা ইউএনসিসিডি কপ১৭-এর উচ্চ পর্যায়ের অধিবেশন উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে মঙ্গোলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কপ১৭-এর সভাপতি বাতসেতসেগ বাতমুনখ, জাতিসংঘের উপমহাসচিব আমিনা জে. মোহাম্মদ এবং ইউএনসিসিডির নির্বাহী সচিব ইয়াসমিন ফুয়াদসহ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও প্রতিনিধি দলের প্রধানরা অংশ নেন।