জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুই ভাগে ভাগ করে জনগণ ও ব্যবসায়ীর কী লাভ হয়েছে, এমন প্রশ্ন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ও ব্যবসায়ীরা কিভাবে আয় ও ব্যয় করে, একটা ব্যবসার পেছনে কী পরিমাণ শ্রম যায় এনবিআরের আমলারা কি সেটা জানে? যাদের জন্য ট্যাক্স পলিসি করবে তাদের বিষয়গুলো মাথায় থাকতে হবে। এটা হচ্ছে আমলাতান্ত্রিক চাকরি, নীতি তৈরি করা নয়। বিএনপি এগুলো নিয়ে অন্যভাবে চিন্তা করছে। সুতরাং নীতি তৈরি ও প্রণয়ন সবার অংশদারীত্বে হবে, কোনো আমলাতন্ত্রের মাধ্যমে নয়।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত এক অর্থনৈতিক রিফর্ম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
আগামী দিনে নতুন অর্থনৈতিক রিফর্ম করতে হবে জানিয়ে আমির খসরু বলেন, 'আমাদের অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় নতুন বিষয় থাকতে হবে। একটি নতুন অর্থনৈতিক মডেলে যেতে হবে। বিগত সময়ে যে অর্থনৈতিক পলিসি চলেছে সেটি একটি সেকশনের জন্য কাজ করেছে, সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেনি। এখন আমাদের নিশ্চিত করতে হবে অর্থনীতি সবার জন্য। আপনি দেশের উন্নয়ন করবেন সেখানে যদি মানুষের অংশগ্রহণ না থাকে, শেয়ার না থাকে, সুবিধা না থাকে তাহলে সে অর্থনীতির কাজ কী? তাই আমরা বলেছি বেনিফিটাইজেশন অব রিফর্ম। এটা শুধু শ্লোগান নয়, বাস্তবতা। আমরা সেজন্য বলছি দেশের উন্নয়ন, অর্থনীতিতে জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকতে হবে। আমরা সেটি নিশ্চিত করতে চাই।'
দেশের তৈরি পোশাক শিল্প, ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের পাশাপাশি আইটিসহ অন্যান্য শিল্প তৈরির গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, 'আমরা শুধু ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের কথা ভাবি। কিন্তু জিডিপিতে স্পোটর্সের বড় একটি ভূমিকা রাখার বিরাট সম্ভবনা রয়েছে।
অর্থনৈতিক রিফর্ম সামিট-২০২৫ এর আয়োজন করেছে নাগরিক কোয়ালিশন, ভয়েস রিফর্ম, ব্রেইন, ফিনটেক সোসাইটি বাংলাদেশ ও ইনোভিশন। এতে অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও বিভিন্ন দপ্তরের নীতি নির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।