শিক্ষকরা হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীন এবং ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। এছাড়া উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়া ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার রাতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর মধ্যে শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ আখ্যা দেয়া, হুমকি প্রদান এবং আন্দোলনবিরোধী ভূমিকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। একই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা মুহাম্মদ লাভলু মোল্লা শিশিরকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের হুমকি প্রদান এবং নারী শিক্ষার্থীদের পোশাক নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়াকে ও আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে বিভাগের একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশ অনুযায়ী একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
সভা শেষে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, ‘অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ২০১৯-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রব্বানীর পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তার বিষয়ে ড. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী জানান, ডাকসু নির্বাচনের সময় গোলাম রব্বানীর বৈধ ছাত্রত্ব না থাকায় তার জিএস পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত অনুমোদনের জন্য আইন উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত বছরের নভেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল গোলাম রব্বানীর এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে হয়নি উল্লেখ করে তা বাতিলের সুপারিশ করে। একই সঙ্গে ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে তার জিএস পদ অবৈধ ঘোষণারও সুপারিশ করা হয়েছিল।