টানা কয়েক দফা কমার পর দেশের বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম। ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৭ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১২ টাকা। আজ সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯১৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৩১ টাকা।
সর্বশেষ গতকাল টানা সপ্তম দফায় স্বর্ণের দাম কমায় বাজুস। শুক্রবার ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
বাজুসের তথ্যমতে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৪৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৭ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২১ বার কমানো হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়। এর মধ্যে ৬৪ বার বাড়ে ও ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
অবশ্য স্বর্ণের দাম বাড়লেও রৌপ্যের দামে অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রৌপ্যের প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট ভরিতে ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রৌপ্যের দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত সমন্বয়কৃত দাম দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ছয় শতাংশ মজুরি যোগ হবে। গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।