শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেনীর সার্কিট হাউজে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন সাবের হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘ফেনীর ইটভাটাগুলো যখন স্থাপন
করা হয় তখন আশপাশে বসতি ছিল না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। এখন হয়ে গেছে।
এসব কারণে ইটভাটাগুলো নবায়ন দেয়া হচ্ছে না। এমতাবস্থায়
আমরা ব্লকের প্যাকেজের দিকে যাচ্ছি। আমরা
আশা করব এখানে যারা
ভাটার মালিক রয়েছেন, তারা সরকার থেকে
প্যাকেজ গ্রহণ করে ব্লকের দিকে
যাবেন।
সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘কয়টা ইটভাটা আছে;
আমরা কয়টা অভিযান পরিচালনা
করলাম- এখন আমরা এই
আলোচনায় থাকতে চাই না। আমরা চাই সবগুলো
ভাটা বন্ধ হয়ে যাক।
সবাই আধুনিক পদ্ধতিতে ব্লক তৈরি করুক। ব্লকের দুইটা সুবিধা আছে, একটা হচ্ছে
এখানে কৃষি মাটির
ব্যবহার হবে না আরেকটা
হচ্ছে ব্লক তৈরিতে বায়ু দূষণ
হয় না।
নদী
দখল ও দূষণের বিষয়ে
অপর একটি প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার জলাধার রক্ষায় ডিজিটাল ম্যাপিং করছে। এর মাধ্যমে সব নদী, জমি, খাল
ও জলাধার সম্পর্কে সুনিশ্চিত হতে পারব। মনিটরিং ভালোভাবে করতে
পারব। দূষণের বিষয়ে আমরা কাজ করছি।
কোন স্থানে কি পরিমাণ বর্জ্য
তৈরি হয়, আমাদের পৌরসভার
সক্ষমতা কি? এসব বিবেচনা
করে আমরা বর্জ্য রিসাইকিলিংয়ের
ব্যবস্থাপনা করে যাচ্ছি। এসব
বিষয় নিয়ে আমরা শুধু
সমস্যার কথা বলতে চাই না।
সমাধানে কাজ করতে চাই
‘
এ সময় বন বিভাগের
পরিচালক (ভূমি পরিমাপ) আনিস
মাহমুদ, ফেনী জেলা প্রশাসক
শাহীনা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীন মোহাম্মদ, সামাজিক
বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শওকত আরা কলিসহ
অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।