ঠাকুরগাঁওয়ে প্রায় অর্ধেক ভোট কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ

মাঘের শেষে শীতের দাপট কমলেও ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী আমেজ দিয়েছে বাড়তি উষ্ণতা।

মাঘের শেষে শীতের দাপট কমলেও ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী আমেজ দিয়েছে বাড়তি উষ্ণতা। চায়ের দোকান থেকে ফসলের মাঠজুড়ে নির্বাচনী উত্তাপ। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে প্রার্থীদের প্রচারণা। ভোটারদের মন জয়ে দিয়েছেন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি। তবে ভোট ঘিরে প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে শঙ্কাও রয়েছে। এবার জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২০ জন প্রার্থী। ১২ লাখের বেশি ভোটারের ভোটাধিকার প্রয়োগে প্রস্তুত রয়েছে ৪১৭টি ভোট কেন্দ্র। যদিও এরই মধ্যে ২০১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন।

ইসির তথ্য বলছে, ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১৮৫টি। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৯২টি। এছাড়া ঠাকুরগাঁও-২ (বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর, রাণীশংকৈলের একাংশ) আসনে ১০৪টির মধ্যে ৪৬টি এবং ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ, রাণীশংকৈল) আসনে ১২৮টির মধ্যে ৬৩টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যদিও কেন্দ্রগুলো নির্বাচন উপযোগী করার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রস্তুত রয়েছে জেলা প্রশাসন। নিরপেক্ষতা আর সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এসব কেন্দ্রে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত ফারজানা বলেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়নে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। প্রতিটা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সচেষ্ট ভূমিকা পালনে তৎপর রয়েছে। সবার অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।’

নতুন সরকার গঠন হওয়ার পর কৃষিনির্ভর এ জেলার মানুষের প্রত্যাশা অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মাদক ও অনলাইন জুয়া শক্ত হাতে দমন করবেন জনপ্রতিনিধিরা।

সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের কাশিডাঙ্গা গ্রামের স্কুল শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত সময়ে ভোট ঘিরে সহিংসতা হয়েছে। আমরা সেটার পুনরাবৃত্তি চাই না। আমরা চাই ভোট হোক আনন্দের, ভোট হোক উৎসবমুখর। প্রশাসন সর্বোচ্চ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রত্যাশা করি।’

আরও