ঘূর্ণিঝড় মোখা: তাণ্ডবের পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় ক্ষতিগ্রস্তরা

কক্সবাজারে ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবের পর স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর, রাস্তাঘাট মেরামত ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নের কাজ শুরু হয়েছে। আবারও ঘুরে দাড়াঁনোর চেষ্টা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষেরা। একইভাবে সোমবার (১৫ মে) সকাল থেকে কক্সবাজারে বিমান চলাচলও শুরু হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় মোখার তান্ডবের পর রবিবার রাতে

কক্সবাজারে ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবের পর স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর, রাস্তাঘাট মেরামত ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নের কাজ শুরু হয়েছে। আবারও ঘুরে দাড়াঁনোর চেষ্টা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষেরা। সোমবার (১৫ মে) সকাল থেকে কক্সবাজারে বিমান চলাচলও শুরু হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় মোখার তান্ডবের পর রবিবার রাতে ও সোমবার সকালে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরে গেছেন দুর্গত মানুষ।

এসব মানুষের অনেকেই ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা, সদর, বাহারছড়া ও সেন্ট মাটিন দ্বীপ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোও।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, কক্সবাজার জেলায় ১০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৮ হাজার আংশিক ও ২ হাজার সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। শুধু সেন্ট মার্টিনেই ১২শ ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে।

অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়েছে। একইভাবে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫ হাজার ঝুঁপড়ি ঘর। তবে হতাহত হয়নি কেউ।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিভীষণ কান্তি দাশ জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের মহাবিপদ সংকেত কেটে যাওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরে গেছে দুর্গত এলাকার মানুষ। ঘূর্ণিঝড়ে যেসব বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের সরকারিভাবে সহায়তা করা হবে।

এদিকে কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশার মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে ২৭৮টি শেল্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আংশিক ক্ষতি হয়েছে ২৫৪৮টি শেল্টারের। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩২টি লার্নিং সেন্টার, একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্ৰ, ২৯টি মসজিদ-মক্তব। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১৬১১ জন রোহিঙ্গা। ঘূর্ণিঝড় চলাকালে ৫৩৮৬ জন রোহিঙ্গাকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোখা তাণ্ডবের পর ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে সেন্ট মার্টিনে পরিদর্শন যান সাবেক সাংসদ আবদুর রহমান বদি। তিনি সকালে দ্বীপের ক্ষতিগ্রস্ত ঘর-বাড়ি পরিদর্শন করেন।  বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থানরত ৭২০ জন নারী ও ১২৩৫ জন পুরুষকে নগদ টাকা বিতরণ করেন।

আরও