তিনি গতকাল সংসদে সাতক্ষীরা-২ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মুহাম্মাদ আব্দুল খালেকের টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড প্রণীত খসড়া পর্যটন মহাপরিকল্পনায় পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও নিরাপদ পর্যটন উন্নয়নের রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মহাপরিকল্পনায় সুন্দরবন-সংলগ্ন সাতক্ষীরা জেলায় ১০টি, বাগেরহাটে ২২ এবং খুলনায় ২১টি পর্যটন আকর্ষণ চিহ্নিত করা হয়েছে। মহাপরিকল্পনা চূড়ান্তভাবে গৃহীত হলে সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে ইকো-ট্যুরিজম ও কমিউনিটি বেইজড পর্যটন উন্নয়ন কার্যক্রম নেয়া হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা মহাপরিকল্পনা অনুমোদন ও পরবর্তী প্রকল্প নেয়ার ওপর নির্ভরশীল।