পেট্রোল-অকটেন শূন্য কুড়িগ্রাম, বিপাকে বহু মানুষ

কুড়িগ্রামের পাম্পগুলো পেট্রোল-অকটেন শূন্য হয়ে পড়েছে। গত মঙ্গলবার থেকে এ সমস্যা শুরু হওয়ায় বিপাকে পড়েছে মোটরসাইকেল চালকসহ বহু মানুষ। পাম্প মালিকরাও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

কুড়িগ্রামের পাম্পগুলো পেট্রোল-অকটেন শূন্য হয়ে পড়েছে। গত মঙ্গলবার থেকে এ সমস্যা শুরু হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকসহ বহু মানুষ। পাম্প মালিকরাও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

 

আজ শনিবার খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদের পরদিন গত বুধবার থেকে কুড়িগ্রাম জেলা শহরসহ নয় উপজেলার ১৯টি তেলের পাম্প পেট্রোল ও অকটেন শূন্য হয়ে পড়ে। এ সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী  অতিরিক্ত দামে পেট্রোল ও অকটেন  বিক্রি করছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক ক্রেতা।

 

কুড়িগ্রাম শহরের প্রিয়ম পেট্রোল পাম্পের স্বত্বাধিকারী জামান আহমেদ জানান, ঈদে পেট্রোল-অকটেনের চাহিদা বেশি ও ডিপোগুলোয় সরবরাহ সংকট থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এতে আমাদের বেশ ক্ষতি হয়েছে।

 

অন্যদিকে, ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাহা ফিলিং স্টেশনে ঈদের আগের দিন বিকেলে পেট্রোল ও পরদিন দিন অকটেন শেষ হয়ে যায়। এতে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েন মোটরসাইকেল চালকরা। কৃষিকাজে জ্বালানি ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষ বিপদে পড়েন।

 

স্থানীয় অনেকেই অভিযোগ করেন, জ্বালানি শূন্য হয়ে পড়ায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ৮৯ টাকার অকটেন ১৬০ টাকায় বিক্রি করছেন। গতকাল শুক্রবার জেলার কয়েকটি জায়গায় নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রায় দ্বিগুন দামে জ্বালানি বিক্রি হয়েছে।

 

এদিকে, সবচেয়ে বেশি বিক্রিত জ্বালানি সরবরাহ শেষ হয়ে যাওয়ায় পাম্প বন্ধ রেখেছেন মালিকরা। সাহা ফিলিং স্টেশন নামে একটি পাম্পের ম্যানেজার শ্রী আনন্দ চক্রবর্তী বলেন, ঈদের সময় আমাদের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পাইনি। ডিপোতে তেলের সংকটের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কুড়িগ্রামের পেট্রোল পাম্পগুলোর জন্য আমরা আধা লরি ফুয়েল পাই, যা দিয়ে মোট তিনটি পাম্প চলে। এখন সব তেল শেষ। দুয়েকদিনের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম এ ব্যাপারে বলেন, পেট্রোল ও অকটেন সংকটের বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। ডিপোগুলোয় এখন সরবরাহ বেড়েছে। পাম্পের মালিকরা নিয়ে আসলেই সংকট কেটে যাবে।

আরও