এবার শাবিপ্রবির নতুন প্রক্টরের অপসারণ চান শিক্ষার্থীরা

দায়িত্ব নেয়ার একদিন পরই শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) নবনিযুক্ত প্রক্টরের অপসারণ দাবি করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। গতকাল রাতে শিক্ষামন্ত্রীর ক্যাম্পাস ত্যাগের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ইয়াসির সরকার।

দায়িত্ব নেয়ার একদিন পরই শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) নবনিযুক্ত প্রক্টরের অপসারণ দাবি করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। গতকাল রাতে শিক্ষামন্ত্রীর ক্যাম্পাস ত্যাগের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ইয়াসির সরকার।

তিনি বলেন, নতুন প্রক্টর হিসেবে ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. ইশরাত ইবনে ইসমাইলের সামনে এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করা হয়েছিল। কিন্তু প্রক্টর সেই ঘটনাটি প্রতিহত করার কোনো উদ্যোগ নেননি। ওই ঘটনাটি এখন তদন্তাধীন। তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেয়া অনুচিত হয়েছে।

গতকাল শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে উপাচার্যবিরোধী চলমান আন্দোলন একদিনের জন্য স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন শাবিপ্রবির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বৈঠক পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে আজ বিকেলে সব শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৈঠকে বসার কথা জানিয়েছেন তারা।

ইয়াসির সরকার বলেন, নতুন প্রক্টরকে অপসারণের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর কাছেও দাবি জানিয়েছি। তিনি যথাযথ উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া আগামীতে প্রক্টর নিয়োগে শিক্ষার্থীদের মতামত নেয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন।

গত ১৬ জানুয়ারি প্রভোস্টবিরোধী আন্দোলনের সময় অবরুদ্ধ ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে মুক্ত করতে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হন। হামলার পরপরই সেই আন্দোলন ভিসিবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়, পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক ও প্রক্টরিয়াল বডিরও পদত্যাগ দাবি করেন তারা।

এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন প্রক্টর হিসেবে ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. ইশরাত ইবনে ইসমাইলের দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর কবীরকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে প্রক্টরের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. ইশরাত ইবনে ইসমাইলকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ পদে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি বিধি মোতাবেক দায়িত্ব ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এ আদেশ তার যোগদানের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

আরও