মিরপুর অগ্নিকাণ্ডের দ্বিতীয় দিন

কেমিক্যালের পরিমাণ ও মালিকের খোঁজ মেলেনি

কেমিক্যালের প্রকৃতি ও পরিমাণ এখনো জানা যায়নি, মালিকেরও কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনার দ্বিতীয় দিনে সকালে আমাদের হ্যাজমেট টিম কেমিক্যাল স্যুট পরে গুদামের প্রধান দরজার তালা খুলেছে। এখনো ভেতরে প্রচণ্ড সাদা ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাস রয়েছে। এসব গ্যাস বাতাসে মিশে ত্বক, ফুসফুস ও হৃদ্‌যন্ত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।'

রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে পোশাক কারখানা ও রাসায়নিক গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের দ্বিতীয় দিনেও উদ্ধার অভিযান চলছে। এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের হ্যাজমেট টিম রাসায়নিকের গুদামে প্রবেশের চেষ্টা করলেও, ঘন ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাসের কারণে সম্পূর্ণভাবে ভেতরে প্রবেশ সম্ভব হয়নি।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান জানিয়েছেন, কেমিক্যালের প্রকৃতি ও পরিমাণ এখনো জানা যায়নি, মালিকেরও কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

আজ বুধবার দুপুরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস তার সক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করছে। আমাদের সবরকম আগুন নেভানোর সক্ষমতা আছে, তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই আমরা কাজ চালাচ্ছি।‘

তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনার দ্বিতীয় দিনে সকালে আমাদের হ্যাজমেট টিম কেমিক্যাল স্যুট পরে গুদামের প্রধান দরজার তালা খুলেছে। এখনো ভেতরে প্রচণ্ড সাদা ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাস রয়েছে। এসব গ্যাস বাতাসে মিশে ত্বক, ফুসফুস ও হৃদ্‌যন্ত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। আমরা সংবাদকর্মীদেরও বলবো—দয়া করে নিরাপত্তা বজায় রেখে কাজ করুন।‘

তিনি বলেন, ‘রাসায়নিক গুদামজাতকরণে একটি নীতিমালা আছে, যা না মানলে যেকোনো সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।‘

আরও