স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, ‘যশোরের মানুষের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে। বিশেষ করে দরিদ্র মানুষ যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পায়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’
গতকাল যশোরের স্থানীয় সার্কিট হাউজের মিলনায়তনে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালের জন্য ৪০ লাখ টাকার চিকিৎসাসামগ্রী হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনের কাছে এসব সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘সমাজের মানুষের জন্য যে যার জায়গা থেকে কাজ করতে হবে। যশোরের মানুষ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে কীভাবে সেবা পাবে, সেটা নিয়ে সরকার ও বেসরকারি পর্যায়ে কাজ করলে দরিদ্র মানুষ সেবা পাবে। আমরা চেষ্টা করছি স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে যেন পৌঁছায়। এজন্য চিকিৎসকদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
হিউম্যান আপিল ইউএসএর সহযোগিতায় বিতরণ করা চিকিৎসাসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ব্যথানাশক ইনজেকশন, বয়স্কদের ব্যবহারের জন্য প্যাম্পার্স, গ্লাভস, ক্যানোলা, চিকিৎসকদের পোশাক এবং অস্ত্রোপচার কক্ষের বিভিন্ন উপকরণ। বেসরকারি সংস্থা আমান এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত, সিভিল সার্জন মাসুদ রানা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোগ্রামার আরিফ নূর এবং হিউম্যান আপিল ইউএসএর প্রতিনিধি সাংবাদিক আবদুল কাদেরসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিতে হয়। ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর সংকটের মধ্যেও বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিতে হচ্ছে। নতুন সামগ্রী রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।