ডা. মুরাদ হাসানের সংসদ সদস্য (এমপি) পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট হয়েছে। আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ এ রিট করেন। রিটে জামালপুর-৪ আসনের এমপি মুরাদ হাসানের কর্মকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্তও চাওয়া হয়েছে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন ডা. মুরাদ। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করেন। এ ছাড়া তাকে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকেও অব্যাহতি দেয়া হয়।
জেলা আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, বৈঠকে ডা. মুরাদ হাসানের বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে আলোচনার পর সদস্যদের সম্মতিক্রমে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি পরে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে।
মুরাদ হাসান জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ ছাড়া ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একই আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে মুরাদ হাসানকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পাঁচ মাসের মাথায় ২০১৯ সালের ১৯ মে তাকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিল।