বৃষ্টি হলেই বেনাপোল স্থলবন্দরের ইয়ার্ড ও গুদামে হাঁটুপানি

গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ড ও গুদামে হাঁটুপানি জমে থাকায় পণ্য খালাস ও পরিবহন কার্যক্রমে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে কয়েকটি প্রবেশগেট বন্ধ করে দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অপরিকল্পিত উন্নয়ন এবং সুষ্ঠু পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বর্ষায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, রেল কর্তৃপক্ষ কালভার্ট না রেখে রেললাইন সম্প্রসারণের জন্য মাটি ভরাট করায় পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বৃষ্টির পানি জমে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

বেনাপোল বন্দরে প্রতি বছর ২২-২৪ লাখ টন পণ্য আমদানি হয়, যার জন্য রয়েছে ৩৩টি শেড, তিনটি ওপেন ইয়ার্ড ও একটি ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড। বন্দর সড়কের উচ্চতার তুলনায় গুদামগুলো নিচু হওয়ায় পানি নিষ্কাশন সম্ভব হচ্ছে না।

বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক বলেন, ‘বন্দরের পণ্যাগারে যেকোনো সময় পানি ঢুকে পড়তে পারে। অথচ এ বন্দর থেকেই প্রতি বছর সরকার ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করে।’

এ বিষয়ে যশোর চেম্বার অব কমার্সের সাধারণ সম্পাদক তানভিরুল ইসলাম সোহান বলেন, ‘দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর হওয়া সত্ত্বেও বেনাপোলের এ অব্যবস্থাপনা দুঃখজনক। সরকার প্রতি বছর এখান থেকে যে বিপুল রাজস্ব আয় করে, তার একটি অংশ যশোর জেলার উন্নয়নে বরাদ্দ রাখা উচিত।’

বন্দর উপপরিচালক মামুন কবীর তরফদার বলেন, ‘রেললাইন সম্প্রসারণে কালভার্ট না রেখে মাটি ভরাট করায় পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত এ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’

আরও