রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ঘুড়ি উৎসব

কক্সবাজার সৈকতে একটি ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও আর্টোল্যুশনের সঙ্গে মিলে এ আয়োজন করে সংস্থাটি।

কক্সবাজার সৈকতে একটি ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও আর্টোল্যুশনের সঙ্গে মিলে এ আয়োজন করে সংস্থাটি।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) কক্সবাজার সৈকতে এ ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করা হয়। রঙবেরঙের ঘুড়িতে রোহিঙ্গাদের জন্য অনুপ্রেরণামূলক বিভিন্ন বার্তা লিখে তা ওড়ান শত শত অতিথি। বন্ধুত্বের বার্তা লেখা ঘুড়িগুলো ক্যাম্পে আশ্রিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কাছে পৌঁছে দেয়ার কথা রয়েছে।

কক্সবাজারে নিযুক্ত ইউএনএইচসিআরের প্রধান কর্মকর্তা ইয়োকো আকাসাকা বলেন, আমরা সবাইকে শৈশবের কথা মনে করিয়ে দিতে চাই, যখন আমাদের সবারই কিছু আশা ও স্বপ্ন ছিল। রোহিঙ্গা শিশুদেরও এরকম অনেক স্বপ্ন আছে, আমরা চাই তাদের যথাযথ শিক্ষা ও দক্ষতা দিয়ে সে স্বপ্নগুলো পূরণ করতে। যেন প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি হওয়ার পর তারা নিজ দেশে গিয়ে সমাজ পুনর্গঠন করতে পারে। এ সময় বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে মিলে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও কক্সবাজারের মানুষের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ঘুড়ি উড়িয়েছেন কক্সবাজারের ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, এ ঘুড়ি উৎসব আমার শৈশবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। উপস্থিত দর্শকদের আনন্দ দেখে আমি অভিভূত। বন্ধুত্ব ও সংহতির এমন আয়োজন আরো হওয়া দরকার।

অতিথিদের সঙ্গে ঘুড়ি ওড়ানোর উৎসবে যোগ দেন কক্সবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহিনুল হক মার্শাল। তিনি বলেন, এ শহরে আমরা বৈচিত্র্য ও সংহতি লালন ও ধারণ করি। এ উৎসব দেখে আমি আনন্দিত।

আরও