জাতীয় সম্মেলনে বক্তারা

আমরা প্রতিদিন নদী-বন পাহাড়, কৃষিজমি হারাচ্ছি

পরিবেশ সুরক্ষায় আমাদের দেশ একদম পেছনের সারিতে। পরিবেশ সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা আমাদের এ বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে পারে। আমরা প্রতিদিন নদী, বন, পাহাড়, কৃষিজমি হারিয়ে ফেলছি; ফলে প্রান্তিক মানুষই বেশি বঞ্চিত হচ্ছে।

পরিবেশ সুরক্ষায় আমাদের দেশ একদম পেছনের সারিতে। পরিবেশ সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা আমাদের এ বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে পারে। আমরা প্রতিদিন নদী, বন, পাহাড়, কৃষিজমি হারিয়ে ফেলছি; ফলে প্রান্তিক মানুষই বেশি বঞ্চিত হচ্ছে। ২০২৪ সালে এনভায়রনমেন্টাল ইনডেক্স হিসেবে ১৮০টি দেশের মধ্যে আমরা ১৭৫তম। ২০২২ সালে অবস্থান ছিল ১৭৭তম। এ সম্মেলনে আমরা কীভাবে পরিবেশ বিপর্যয় থেকে উত্তরণ করতে পারি তার একটি দিকনির্দেশনা বের করতে সক্ষম হব।

গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি), বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এবং ওয়াটার রাইটস ফোরামের যৌথ উদ্যোগে ‘নদী, বন, পাহাড়, কৃষিজমি, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষা’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলনে এসব কথা বলেন বক্তরা।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আইনুন্নাহার সিদ্দিকা, বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বেলার প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট তাসলিমা ইসলাম। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অধিকারকর্মী, উন্নয়নকর্মী, কৃষক ও ভুক্তভোগী জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

বিচারপতি আইনুন্নাহার সিদ্দিকা বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ থেকে ক্রমে বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছে, তরুণরা কৃষিবিমুখ হয়ে পড়ছে, কৃষিপণ্য আমদানি বেড়ে যাচ্ছে। এ থেকে আমাদের দ্রুত বের হয়ে আসতে হবে। অবকাঠামো নির্মাণের কারণে কৃষিজমি কমে যাচ্ছে।’ তিনি স্কুল পাঠ্য বইতে পরিবেশ সচেতনতা, আইন ইত্যাদি সংযুক্ত করার পরামর্শ দেন যাতে তরুণ প্রজন্ম অল্প বয়স থেকেই পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠতে পারে।

উদ্বোধনী সেশন পরবর্তী প্রথম দিনের প্রথম ওয়ার্কিং অধিবেশনে ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভূমি ও কৃষি অধিকার’ সভাপতিত্ব করেন গবেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. মেঘনা গুহ ঠাকুরতা। আলোচক ছিলেন গবেষক ও অধিকারকর্মী পাভেল পার্থ, অ্যাডভোকেট এমএম খালেকুজ্জামান, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাফের সভাপতি সঞ্জীব দ্রং প্রমুখ।

আরও