জনআস্থা ফেরাতে কার্যকর পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে: আইজিপি

পুলিশপ্রধান বলেন, বর্তমানে কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ, মাদক ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চলছে। সরকার এ কার্যক্রম আরো গতিশীল করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। এ লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রম একটি কাঠামোর মধ্যে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে।

জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

আজ শনিবার দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) লাইন্সে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

আইজিপি বলেন, বিগত ১৭ বছরে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা দূর করাই আমাদের লক্ষ্য। ৫ আগস্টের পর পুলিশ দৃঢ় মনোবল নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং কাজ করছে। জনগণের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলে মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ হতে চাই।

তিনি বলেন, সরকার মাদক ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছে। সমাজে মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না—এমন লক্ষ্য নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে অপরাধ নির্মূলে কাজ করতে হবে।

পুলিশপ্রধান বলেন, বর্তমানে কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ, মাদক ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চলছে। সরকার এ কার্যক্রম আরো গতিশীল করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। এ লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রম একটি কাঠামোর মধ্যে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে।

কমিউনিটি পুলিশের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে অতীতে নিরীহ মানুষকে হয়রানি, ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ ছিল উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য আইনি কাঠামোর মধ্যে কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ আখ্যা দিয়ে তাদের কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমে সহযোগিতার আহ্বান জানান আইজিপি। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

কেএমপি কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম এবং পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, খুলনার কমান্ড্যান্ট ডিআইজি এ কে এম মোশাররফ হোসেন মিয়াজী। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে আইজিপি খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে খুলনার বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।

আরও