সরকারি থেকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার সফল উদাহরণ পূবালী ও উত্তরা ব্যাংক

আশির দশকের শুরুতে রাষ্ট্রায়ত্ত পূবালী ও উত্তরা ব্যাংককে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিয়েছিল সরকার। তখন ব্যাংক দুটির আর্থিক পরিস্থিতি ছিল নাজুক। খেলাপি ঋণের হার ছিল উচ্চ। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছিলেন বিক্ষুব্ধ।

কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় দুটি ব্যাংকই আজ সফল। সুদৃঢ় মূলধন কাঠামো, সর্বনিম্ন খেলাপি ঋণ ও রেকর্ড মুনাফায় স্থান করে নিয়েছে বেসরকারি খাতের শীর্ষ তালিকায়। বিপরীতে সরকারি মালিকানায় থেকে যাওয়া সবক’টি ব্যাংকেরই এখন নাজুক পরিস্থিতি।

পূবালী ব্যাংকের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, গত বছর শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের হার ছিল মাত্র ২ দশমিক ২০ শতাংশ। মূলধনের অনুপাত (ক্যাপিটাল টু রিস্ক-ওয়েটেড অ্যাসেটস রেশিও বা সিআরএআর) প্রায় ১৬ শতাংশে দাঁড়ায়। সেই সঙ্গে করেছে ১ হাজার ৯০ কোটি টাকার রেকর্ড নিট মুনাফা। আর বিনিয়োগকারী বা শেয়ারধারীদের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পূবালী।

খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে রেখে শক্তিশালী মূলধন কাঠামো তৈরি ও নিট মুনাফায় সাফল্য দেখিয়েছে উত্তরা ব্যাংকও। গত বছর শেষে এ ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের হার ছিল ৫ শতাংশের কম, ৪ দশমিক ৮৪। সিআরএআর ছিল ১৭ শতাংশের বেশি। এ সময় ব্যাংকটির নিট মুনাফা অর্জিত হয়েছে ৫৯৮ কোটি টাকা। বিনিয়োগকারীদের জন্য এ ব্যাংকটিও সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

সরকারি মালিকানা থেকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া পূবালী ও উত্তরা ব্যাংকের প্রবৃদ্ধির ধারা ছিল টেকসই। গত এক যুগের বেশি সময় ধরে মূলধন সক্ষমতা, আমানত, ঋণ, মুনাফা বেড়েছে ধারাবাহিকভাবে। আর বিনিয়োগকারীরাও পেয়েছে কাঙ্ক্ষিত লভ্যাংশ। কিন্তু সরকারি মালিকানায় থেকে যাওয়া ব্যাংকগুলো এ সময়ে ক্রমাগত দুর্বল হয়েছে। সরকারি মালিকানাধীন ছয় বাণিজ্যিক ব্যাংক হলো সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বেসিক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল)। এছাড়া সরকারের বিশেষায়িত দুটি ব্যাংক হলো বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি) ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)। এর মধ্যে কেবল সোনালী ব্যাংকের পরিস্থিতি বর্তমানে কিছুটা ভালো। বাকি সাতটি ব্যাংকেরই আর্থিক পরিস্থিতি বেশ নাজুক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে সরকারি মালিকানায় থাকা আট ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা, যা এ ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ৪৫ শতাংশ। উচ্চ খেলাপি ঋণের প্রভাবে ব্যাংকগুলোর মূলধন সক্ষমতা একেবারেই নাজুক পরিস্থিতিতে রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর জন্য ক্যাপিটাল কনজারভেশন বাফারসহ ন্যূনতম সিআরএআর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। কিন্তু সরকারি কোনো ব্যাংকই এটি সংরক্ষণ করতে পারেনি। এক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংক ১০ দশমিক ১১ শতাংশ সিআরএআর সংরক্ষণ করতে পারলেও বাকি সবক’টিই মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে। কেবল জনতা ব্যাংকেরই মূলধন ঘাটতি (সঞ্চিতি ঘাটতিসহ) ৬৪ হাজার কোটি টাকার বেশি। আর কৃষি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতির পরিমাণ ঠেকেছে ৩১ হাজার কোটি টাকায়। এ ব্যাংকগুলোর মালিকানার বিপরীতে সরকার কোনো লভ্যাংশ পাচ্ছে না। উল্টো জনগণের করের অর্থ থেকে মূলধন জোগান দিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে পূবালী ব্যাংকের যাত্রা ১৯৫৯ সালে, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ‘ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড’ নামে। কয়েকজন বাঙালি উদ্যোক্তা বেসরকারি এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে সরকারি নীতিমালার আওতায় ব্যাংকটিকে জাতীয়করণ করা হয়। পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘পূবালী ব্যাংক’। পরবর্তী সময়ে ১৯৮৩ সালে সরকারি খাতের অন্য ব্যাংকগুলোর মতো বিপর্যস্ত এ ব্যাংককে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া হয়। সারা দেশে বর্তমানে ব্যাংকটির ৫১৮টি শাখা, ২৮০টি উপশাখা ও ৩০টি ইসলামিক ব্যাংকিং উইন্ডো রয়েছে।

বেসিক ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান হেলাল আহমেদ চৌধুরী একসময় পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) দায়িত্বে ছিলেন। বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার পর ব্যাংকটির সাফল্যের বিষয়ে তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘১৯৮৩ সালে যখন বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া হয়, তখন ব্যাংকটি ছিল রুগ্‌ণ। খেলাপি ঋণের হার ছিল অনেক বেশি। কিন্তু আমরা ব্যাংকটিকে টেনে তুলেছি। এক্ষেত্রে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি পরিচালনা পর্ষদের সহযোগিতা ছিল। পরিচালকরা কখনই দৈনন্দিন কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করেননি। এ কারণে ব্যাংকটি সাফল্য পেয়েছে। ২০১০ সালে যখন আমি পূবালী ব্যাংকের এমডি ছিলাম, তখনই খেলাপি ঋণের হার ২ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিলাম।’

সরকারি ব্যাংকগুলো স্বাধীনভাবে চলতে পারেনি মন্তব্য করে হেলাল আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে তারা অলিগার্কদের ঋণ দিয়েছে। ব্যাংকগুলোর পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনায় সুশাসন ছিল না। এ কারণে সরকারি ব্যাংকগুলোর প্রায় অর্ধেক ঋণ খেলাপি হয়ে গেছে। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর দেড় বছর ধরে বেসিক ব্যাংককে টেনে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

পূবালী ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর শেষে ব্যাংকটির মোট সম্পদ ও দায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকায়। ৮৯ হাজার ৫১৯ কোটি টাকার আমানত থেকে বিতরণ করেছে ৭১ হাজার ১৪০ কোটি টাকার ঋণ। এত পুরনো ব্যাংক সত্ত্বেও পূবালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ছিল মাত্র ২ দশমিক ২০ শতাংশ। ব্যাংকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশিত প্রভিশন (সঞ্চিতি) ও মূলধনেরও অনেক বেশি পরিমাণ অর্থ সংরক্ষণ করতে পেরেছে। ২০২৫ সালে পূবালী ব্যাংকের নিট মুনাফা ছিল ১ হাজার ৯০ কোটি টাকা। এর আগে ২০২৪ সালেও ৭৮০ কোটি টাকার নিট মুনাফা করে ব্যাংকটি।

রেকর্ড মুনাফার পাশাপাশি খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে সাফল্যের বিষয়ে জানতে চাইলে পূবালী ব্যাংকের এমডি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ আলী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সাফল্যের মূল সূত্রই সর্বস্তরে করপোরেট গভর্ন্যান্স (সুশাসন)। ঋণ প্রদান, বিনিয়োগ, নিয়োগ, পদোন্নতি থেকে শুরু করে প্রতিটি ধাপে সুশাসনের চর্চা হলে কোনো ব্যাংকই খারাপ হওয়ার কথা নয়। পূবালী ব্যাংকে সেটির চর্চা কার্যকরভাবে আছে। এ কারণে গত কয়েক বছর আমরা ধারাবাহিক সাফল্য পেয়েছি।’

মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমি সবসময়ই গর্বের সঙ্গে বলি, কোনো ব্রিফকেস কোম্পানিতে পূবালী ব্যাংকের ঋণ নেই। নিট মুনাফায় বড় প্রবৃদ্ধি ও খেলাপির ঋণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আমরা সেটিরই সুফল পেয়েছি। আগামী দিনগুলোয় পূবালী ব্যাংক আরো ভালো করবে।’

দুই দশক ধরে ধারাবাহিক ও টেকসই প্রবৃদ্ধির ধারায় রয়েছে ১৯৮৩ সালে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া উত্তরা ব্যাংক। ১৯৬৫ সালের ২৮ জানুয়ারি কার্যক্রম শুরু করা এ ব্যাংকের নাম ছিল ‘ইস্টার্ন ব্যাংকিং করপোরেশন’। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে অন্য ব্যাংকগুলোর মতো এটিকেও জাতীয়করণ করে ‘উত্তরা ব্যাংক’ নাম দেয়া হয়। তবে ১৯৮৩ সালে এ ব্যাংককেও বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয় সরকার। বর্তমানে ২৫০টি শাখা ও ৫০টি উপশাখার মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে উত্তরা।

নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর শেষে উত্তরা ব্যাংকের মোট সম্পদ ও দায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ১৪২ কোটি টাকা। ব্যাংকটিতে গ্রাহকদের ২৬ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকার আমানত জমা রয়েছে। বিপরীতে গ্রাহকদের মধ্যে ২২ হাজার ১৭ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকটি। গত ডিসেম্বরে দেশের ব্যাংক খাতের গড় খেলাপি ঋণ ৩০ শতাংশের বেশি থাকলেও উত্তরা ব্যাংকে এ হার ছিল ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

গ্রাহকদের অবিচল আস্থা ও বিশ্বাসের ওপর ভর করেই উত্তরা ব্যাংক আজকের অবস্থানে এসেছে বলে জানান এমডি মো. আবুল হাশেম। ২০০১ সাল-পরবর্তী সময় থেকে ব্যাংকটি ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধিতে রয়েছে জানিয়ে তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ব্যাংক খাতে বিরাজমান এত সংকট সত্ত্বেও আমরা গ্রাহকদের অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে পেরেছি। এ কারণে উত্তরা ব্যাংকের খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মুনাফায় ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কোনো বন্ড ইস্যু করা ছাড়াই আমরা সিআরএআর ১৭ শতাংশের ওপরে নিয়ে গিয়েছি।’

১৯৮৩ সালে বেসরকারি হলেও অনেক মানুষ এখনো উত্তরা ব্যাংককে সরকারি মনে করেন বলে জানান আবুল হাশেম। তিনি বলেন, ‘ব্যাংক পরিচালনায় আমরা কার্যকর সুশাসন ধরে রাখতে পেরেছি। কোনো চাপের মুখেই জামানত ছাড়া ঋণ দিই না। এক যুগের বেশি সময় ধরে উত্তরা ব্যাংক বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দিয়ে আসছে।’

সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর শেষে জনতা ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৭২ হাজার ৮০৪ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ৭০ শতাংশ। ব্যাংকটি কেবল গত বছরই ৩ হাজার ৯১৭ কোটি টাকার নিট লোকসান দিয়েছে। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংকের ৩১ হাজার ১৪ কোটি (৩৯%), রূপালী ব্যাংকের ২০ হাজার ১৫ কোটি (৩৯%), সোনালী ব্যাংকের ১৬ হাজার ৬১৫ কোটি (১৬%) ও বেসিক ব্যাংকের ৮ হাজার ৩১৬ কোটি (৬৫%) টাকার ঋণ খেলাপি হয়ে গেছে। আর বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকায়। এ দুটি ব্যাংকেরও বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ৪০ শতাংশ এখন খেলাপি।

বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া দুটি ব্যাংক সফল হলেও সরকারি খাতের ব্যাংকগুলো কেন ব্যর্থ?—এমন প্রশ্নের জবাবে সোনালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সরকারি ব্যাংকগুলো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। এ কারণে পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছে। রীতিনীতি না মেনেই ঋণ দিয়েছে, এখন সে ঋণ ফেরত আসছে না। সরকারি ব্যাংকগুলোর বেশির ভাগেরই অবস্থা বেশ নাজুক। এত নাজুক আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে এ ব্যাংকগুলোকে টেনে নেয়া খুবই কঠিন।’

সরকারের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) পদে দায়িত্ব পালনকারী সাবেক এ অর্থ সচিব বলেন, ‘মূলধন জোগান দেয়ার পর বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যাংক ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। বেসিক ব্যাংককে বাঁচানোর জন্য সরকার জনগণের করের অর্থ থেকে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা জোগান দিয়েছিল। কিন্তু সেটি ৩-৪ হাজার কোটি টাকার অনিয়ম-দুর্নীতির ক্ষত কাটিয়ে উঠতে পারেনি। পদ্মা ব্যাংককে বাঁচানোর কথা বলেও সরকারি ব্যাংক থেকে মূলধন জোগান দেয়া হয়েছিল, কিন্তু ফলাফল শূন্য। আমি মনে করি, নাজুক পরিস্থিতিতে পড়া ব্যাংকগুলোকে বেসরকারীকরণ, অবসায়ন কিংবা একীভূত করাই সমাধানের পথ। এ ব্যাংকগুলোকে বাঁচানোর কথা বলে মূলধন জোগান দেয়া হবে জনগণের অর্থের অপচয়। বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সরকারের চাহিদা অনুযায়ী এ খাতে একটি ব্যাংকই যথেষ্ট।’

আরও