হাইকোর্টের রায় চেম্বার আদালতে স্থগিত

অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ খুলল

এ ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বিধানকে চ্যালেঞ্জ করে ৪৬ জন শিক্ষক রিট করেন। হাইকোর্ট ২৫ মার্চের সিদ্ধান্ত বাতিল ঘোষণা করে রায় দিলে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আপিল করা হয়। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন।

এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, কলেজ-মাদরাসায় অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত।

গতকাল রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন। ফলে বিভিন্ন পদে সাড়ে ১৩ হাজার শিক্ষকের নিয়োগের ক্ষেত্রে বাধা কাটল বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ২০২১ সালের জনবল কাঠামোয় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার বিধান ছিল। তবে চলতি বছরের ২৫ মার্চের সংশোধনীর মাধ্যমে ১৮ বছর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নির্ধারণ করা হয়।’

এ ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বিধানকে চ্যালেঞ্জ করে ৪৬ জন শিক্ষক রিট করেন। হাইকোর্ট ২৫ মার্চের সিদ্ধান্ত বাতিল ঘোষণা করে রায় দিলে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আপিল করা হয়। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত হওয়ায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা ১৫ অক্টোবর থেকে ভাইভায় অংশ নিতে পারবেন। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রধান শিক্ষক হিসেবে শূন্যপদের সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ২৭৮, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ ও সুপার হিসেবে শূন্যপদের সংখ্যা ছিল ১৫০ এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং সুপার ও সহকারী সুপার হিসেবে শূন্যপদের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ১৩১। তবে রিট আবেদনকারী ৪৬ জনের জন্য পদ সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও