মাইলস্টোন কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক উদ্ধার কার্যক্রমে রেড ক্রিসেন্ট

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রেড ক্রিসেন্টের জাতীয় সদর দপ্তর যুব রেড ক্রিসেন্টের প্রধান মো. রায়হান রহমান এর নেতৃত্বে শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার (২১ জুলাই) রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হলে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনায় হতাহতদের উদ্ধার ও চিকিৎসা সহায়তায় দ্রুততম সময়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস)।

সংস্থার চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. আজিজুল ইসলাম নিজেই উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করেন।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রেড ক্রিসেন্টের জাতীয় সদর দপ্তর যুব রেড ক্রিসেন্টের প্রধান মো. রায়হান রহমান এর নেতৃত্বে শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতাল, জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট ও সিএমএইচসহ কয়েকটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে রেড ক্রিসেন্ট ভলান্টিয়াররা ভর্তির প্রক্রিয়া, রক্ত সংগ্রহ, স্বজনদের থেকে তথ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ এবং নিখোঁজদের তালিকা তৈরিতে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন।

চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুল ইসলাম বলেন,

গতকাল (সোমবার) মাইলস্টোন বিমান দুর্ঘটনার পর উদ্ধার অভিযানের নির্দেশ দিই এবং কিছু যুব স্বেচ্ছাসেবী সহ ঢাকা সিএমএইচে যাই। ইমার্জেন্সি, বার্ন ইউনিট ও মরচুয়ারি সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করি। শিক্ষা উপদেষ্টা ও সচিব মহোদয়ের সাথে মতবিনিময় করি। সেখানে অনেক আহতদেরকে দেখতে পাই। ডেপুটি কমান্ড্যান্ট কর্নেল হামিদকে বিডিআরসিএস-এর বিভিন্ন সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি। এরপর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতাল ও জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট ভিজিট করি এবং সংশ্লিষ্ট ডিরেক্টরদের সাথে বৈঠক করি। আমরা মেডিসিন ও সার্জিক্যাল আইটেম সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে"

আরও