এমনকি বাংলাদেশ টেলিভিশনও ছাদবাগানের প্রসারে প্রচারণা চালাচ্ছে। ফলে সেই ছাদে যদি বাগানই করা হয়, তবে আর সোলার বসানোর জায়গা কোথায় থাকে? আর সোলার স্থাপন করা হলেও তা শিল্প-কারখানার বিশাল বিদ্যুৎ চাহিদার কতটুকুই-বা মেটাতে সক্ষম?”
আমরা একটি স্থায়ী সমাধান চাই। নবায়নযোগ্য জ্বালানির দ্রুত ও কার্যকর প্রসারের জন্য সরকারের এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। সোলারের জন্য ছাদের ওপর নির্ভর করার কোনো প্রয়োজন নেই। সারা দেশে সরকারের যে বিপুল পরিমাণ জমি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে, সেগুলো দ্রুত লিজ দেয়ার ব্যবস্থা করুন।”
আগ্রহী দেশী কিংবা বিদেশী উদ্যোক্তাদের আগামী ছয় মাসের মধ্যে জমি বরাদ্দ নিশ্চিত করে দিন। বর্তমানে জ্বালানি সংকটের কারণে আমাদের বিদ্যমান শিল্প-কারখানাগুলো যেমন চরম ভোগান্তিতে পড়েছে, তেমনি নতুন কোনো দেশী-বিদেশী বিনিয়োগও আসছে না। জমি বরাদ্দের পথ সহজ করা গেলে দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানির বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হবে।”
জ্বালানি সরবরাহের নিশ্চয়তা ও নীতির পূর্বানুমানযোগ্যতা ছাড়া দেশী কিংবা বিদেশী কোনো পক্ষই বিনিয়োগে আগ্রহী হবে না। বিদেশী বিনিয়োগকারীরা মূলত দেখেন দেশীয় শিল্পোদ্যোক্তারা কেমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন ও কতটা সফল হচ্ছেন। তার ভিত্তিতেই প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ দেশে আসে। আপনি যদি জ্বালানি দিতে না পারেন, তাহলে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা আসবে না। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ইনভেস্টমেন্ট সামিটে ৫-৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের কথা ছিল, তা এখন কমে ৬০০ মিলিয়ন হয়েছে কিনা, সে সম্বন্ধে আমাদের কোনো সঠিক ধারণা নেই।
সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত দেশে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকবে। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যাংক ঋণে খেলাপি হয়ে পড়ছে, যার ফলে ব্যাংক খাতে অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ বাড়ছে।