ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি

ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের জামালপুর ইউনিয়নের মহেশালী এলাকায় আজ দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন তিনি

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে নেয়া সম্ভব হওয়ায় এসময় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানান তিনি। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান রাষ্ট্রপতি।

ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের জামালপুর ইউনিয়নের মহেশালী এলাকায় আজ দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর রাষ্ট্রপতি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাজগুলো করা হয়েছে। বাকি কাজও যত দ্রুত সম্ভব শেষ করা হবে। ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে নেয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের জন্য আনন্দের বিষয় উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়বে। শিক্ষা ও গবেষণার নতুন দ্বার খুলবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও কাজের সুযোগও তৈরি হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেন মির্জা ফখরুল। এক্ষেত্রে উপাচার্যের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি জানান, উপাচার্যও এ এলাকার মানুষ। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে তিনি ভালো কাজ করবেন বলে তার বিশ্বাস।

স্থানীয় জনগণকে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে নিজেদের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে এর উন্নয়ন ও সুরক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির কারণেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এসেছে। তাই এর উন্নয়ন ও সুরক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে বলে জানান তিনি।

সমঝোতা ও গণতন্ত্রের রাজনীতির পথে এগিয়ে যাওয়ার এখনই সময় বলেও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি।

ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল জানান, ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দরের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজও দ্রুত নির্মাণ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

দীর্ঘদিনের দাবির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

আরও