প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

প্রতিবেদনটি রাজউক চেয়ারম্যান, ড্যাপের অংশীজন, নগর পরিকল্পনাবিদ ও স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি।

গত ১৭ অক্টোবর বণিক বার্তায় প্রকাশিত ‘গোপনে আরো একবার সংশোধন হলো ড্যাপ: প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন বুড়িগঙ্গার পারে মিলবে ভারী শিল্পের অনুমোদন’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

রাজউকের পরিচালক শীলাব্রত কর্মকারের সই করা প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, প্রকাশিত সংবাদে প্রকৃত সত্য তথ্য প্রতিফলিত হয়নি। উক্ত সংবাদে উল্লেখ করা হয় পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্ত না করে এবং কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করে গোপনীয়ভাবে গেজেট প্রকাশ করেছে, যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) শ্রেণী পরিবর্তন-সংক্রান্ত বিষয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আইন, ২০২৬-এর ধারা ২৩ এবং ২৪-এ সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

প্রকৃত তথ্য হচ্ছে, উক্ত আইনের নির্দেশনার আলোকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় গঠিত কারিগরি কমিটির সভায় বিশদ পর্যালোচনাপূর্বক প্রাপ্ত সুপারিশের আলোকে কর্তৃপক্ষের সভায় উপস্থাপনের মাধ্যমে রাজউক বোর্ডের সভায় আলোচনা ও অনুমোদনক্রমে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ কর্তৃক ভেটিং করার পর সরকার কর্তৃক গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। গোপনে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ প্রকৃত তথ্যনির্ভর নয়।

প্রতিবেদকের বক্তব্য: প্রতিবেদনটি রাজউক চেয়ারম্যান, ড্যাপের অংশীজন, নগর পরিকল্পনাবিদ ও স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি। রাজউকের পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে রাজউক আইনের ২৩(২) ধারায় ড্যাপে চিহ্নিত ভূমির শ্রেণী পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কারিগরি ও পেশাজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মতামত গ্রহণ করার কথা বলা থাকলেও ড্যাপের প্রধান অংশীজন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) এ বিষয়ে অবগত ছিল না। প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিআইপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে এবং তারাই দাবি করেছেন, এভাবে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা না করে গোপনে ড্যাপ সংশোধন প্রক্রিয়াটি শুধু অন্যায়ই নয়, নজিরবিহীনও। এছাড়া প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা রাজউক বোর্ডের সভায় আলোচনা ও অনুমোদনক্রমের বিষয়টিও সত্য নয়। প্রতিবেদনে উল্লেখিত সব তথ্য-উপাত্ত ও রেকর্ড বণিক বার্তার কাছে সংরক্ষিত আছে। এখানে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো বক্তব্য নেই।

আরও