ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে সোমবার প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শেখ হাসিনা। এ অভ্যুত্থানের সূত্রপাত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সংগঠিত কোটা সংস্কারের আন্দোলন থেকে। এ আন্দোলনের অন্যতম বড় একটি কেন্দ্র ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
আন্দোলন চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়টির চিত্র নিয়ে সেখানকার একাধিক শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সমন্বয়কের কথা হয়েছে বণিক বার্তার সঙ্গে। সমন্বয়কদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৫ জুলাই দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার পর সেদিন রাতেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ ও পুলিশ। এরপর ১৮ জুলাই তাদের ওপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আবারো হামলা চালানো হয়। এসব হামলার ঘটনা সারা দেশের মানুষকে বিক্ষুব্ধ করে তুলেছিল। একই সঙ্গে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ জনগণকেও আন্দোলনে সম্পৃক্ত হতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
এছাড়া ২৮ জুলাই রাতে ডিবি হেফাজতে কেন্দ্রীয় ছয় সমন্বয়ককে বলপূর্বক আন্দোলন স্থগিতের বিবৃতি দেয়ানো হলে জাবির সমন্বয়করা তা প্রত্যাখ্যান করে পরদিনই নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন, যা অন্যান্য স্থানেও আন্দোলন চালিয়ে নিতে উৎসাহ দেয়। পাশাপশি আন্দোলনে শিক্ষকদের সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রেও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ৩০ জুলাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে রাষ্ট্রীয় শোককে প্রত্যাখ্যান করেন। সেদিন মুখে লাল কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল করেন তারা। এ বিষয়টিও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতিবাদী করে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কোটা সংস্কারের পর শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি আদায়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়টির। সর্বশেষ ৫ আগস্ট কারফিউ উপেক্ষা করে মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচি পালনের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী ঢাকার উদ্দেশে পদযাত্রা করেন। মিছিলটি সাভার পৌঁছলে এর সঙ্গে যোগ দেয় আরো কয়েক হাজার মানুষ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাবির অন্যতম সমন্বয়ক মালিহা নামলাহ বলেন, ‘১৫ তারিখ রাতে আমাদের ওপর যখন নৃশংসভাবে হামলা করা হয় তখন আমি ওই হামলার লাইভ করি। এটি প্রায় কয়েক লাখ মানুষ দেখেছিল এবং এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি বেশ আলোচনা তৈরি করে। সবাই আমাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়। পরদিন আশপাশের স্কুল, কলেজ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও আমাদের সঙ্গে যোগ দেয় এবং আন্দোলন বড় আকার ধারণ করে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণার পরও আমরা প্রতিদিন কর্মসূচি চালিয়ে গিয়েছি এবং সাধারণ মানুষকে সংযুক্ত করেছি, যা আন্দোলনকে সামনে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করেছে। পাশাপাশি আমাদের শিক্ষকদের একটা অংশও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’
হাইকোর্টের এক রায়ের মাধ্যমে গত ৫ জুন ২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে কোটা পুনর্বহাল করা হয়। এর পর পরই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, ওই রায়ের পরদিন ৬ জুন বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, অমর একুশে হয়ে প্রধান ফটকের সামনে এসে শেষ হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ৫ মিনিট প্রতীকী অবরোধ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। জুনে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা আরো বেশকিছু কর্মসূচি পালন করেন। জুলাইয়ের শুরুতে দেশজুড়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন ছড়িয়ে পড়লে জাহাঙ্গীরনগরে এ আন্দোলন আরো তীব্র হয়। ৩ ও ৪ জুলাই এবং ৭ থেকে ১১ জুলাই প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা করে অন্যতম ব্যস্ততম মহাসড়ক ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন জাবি শিক্ষার্থীরা, যা আন্দোলনকে আরো গতিশীল করে তুলেছিল বলে দাবি তাদের। এরপর ১৫ ও ১৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে হামলা চালায় ছাত্রলীগ ও পুলিশ। এ দুদিনে বিশ্ববিদ্যালয়টির দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। এছাড়া দুই শিক্ষক ও বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও আহত হন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিলে বের করলে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন আন্দোলনকারীরা। কয়েক দফা সংঘর্ষ হয় উভয় পক্ষে। এক পর্যায়ে রাতে পুলিশও আন্দোলনকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছোড়া শুরু করে। সংঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সাংবাদিকও আহত হন। এর প্রতিবাদে ১৭ থেকে ১৯ জুলাই শিক্ষার্থীরা পুনরায় মহাসড়ক অবরোধ করেন। এমনকি ২০ জুলাই কারফিউ উপেক্ষা করেও শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেন।
জাবির বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। সেটা যেকোনো ধরনেরই নিপীড়ন হোক না কেন তারা রুখে দাঁড়িয়েছে। এবারের কোটা সংস্কার আন্দোলনেও তারা বড় ভূমিকা পালন করেছে। প্রথমেই তারা ছিল। ছয় সমন্বয়ককে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর যে বিবৃতি দেয়া হয়, সেটা যে জোর করে দেয়া হয় এবং সেটা যে সাজানো নাটক, এটা বোঝার পর ছয়-সাতজন শিক্ষক আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাস্তায় নেমে গিয়েছি। যখন আমরা নেমে গিয়েছি, তখন দেখা যায় সে আন্দোলন আবার উত্তাল হয়ে উঠেছে।’
শিক্ষার্থীরা বলছেন, এক দফা দাবি ঘোষণার আগে ১৬ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত সময়টা ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সময়। এ সময়েই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের এবং সাধারণ জনতার সংযোগ ঘটে।
১৬ জুলাই বেলা ২টা থেকে সাভারের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারে একাত্মতা জানাতে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসে জড়ো হয়। পরে তারা প্রধান ফটকের সামনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। পরে ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা শেষে সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করে বিকাল ৪টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। হল ছাড়ার নির্দেশের প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ হয়ে প্রশাসনিক ভবনে ভাংচুর করে ভিসিসহ বেশ কয়েকজন সিন্ডিকেট সদস্যকে অবরুদ্ধ করে রাখেন আন্দোলনকারি শিক্ষার্থীরা। এমন পরিস্থিতিতে দুপুর থেকে পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়। একপর্যায় বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় আন্দোলনকারীদের। এ সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয় এবং পুলিশও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন থেকে ভিসিকে মুক্ত করে পুলিশ।
প্রশাসনের চাপে ১৮ জুলাই হল ত্যাগ করেন শিক্ষার্থীরা। তবে তারা তাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন। এদিন দেশব্যাপী কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ঘিরে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ আশপাশ এলাকায় কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এদিন স্থানীয় বাসিন্দারাও যোগ দেন। আন্দোলনকারীরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে আগুন জ্বেলে বিক্ষোভ করেন। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট চালায়।
১৯ জুলাই দুপুরে পুনরায় সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। এদিনও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ২০ জুলাই কারফিউ ভেঙে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর ক্যাম্পাসে ফিরে সারা দেশে আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেন এবং ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ফের ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। এর পর থেকে শিক্ষার্থীরা নিয়মিতই বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কর্মসূচি চালিয়ে গেছেন এবং এর সঙ্গে যুক্ত হন শিক্ষকরাও।
আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক জাহিদুল ইসলাম ইমন বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই এ আন্দোলন করছি। তারপর ১৫ তারিখে আমাদের ওপর একটি বর্বরোচিত হামলা হয়। সেদিনের যে বর্বরতা আমাদের ওপর চালানো হয় সেটি লাইভে দেখে অনেক মানুষকে নাড়া দেয়। অনেকে পোস্ট করছিল, জাহাঙ্গীরনগর বাঁচান। তাই আমরা মনে করি, পরদিন যে স্কুল-কলেজের আন্দোলনগুলো গড়ে উঠেছে, সেখানে আমাদের প্রতি সহানুভূতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখছিল। আর আমরা শুরু থেকেই চাচ্ছিলাম আমাদের আশপাশে যে স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আছে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে। হামলা হওয়ার পরদিনই ১৫-২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের মিছিলে আসে। এর পরও আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এসব ঘটনা আন্দোলনকে আরো জোরদার করেছে।’
সারা দেশে ইন্টারনেট সচল হওয়ার পর আবারো কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি পালন শুরু করেন জাবির আন্দোলনকারীরা এবং ৫ আগস্ট লংমার্চে যোগ দিতে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী জাবিতে জড়ো হন। শিক্ষার্থীদের এ মিছিল সাভার পৌঁছলে আরো বড় আকার ধারণ করে এবং মিছিল প্রতিহত করতে পুলিশ গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলে একজন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। এর মধ্যেও মিছিল সামনে এগিয়ে যায় এবং এর কয়েক ঘণ্টা পরই শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘যখন এ আন্দোলন শুরু হয় তখনই জাহাঙ্গীরনগরের শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলন নিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যায়। তারা আন্দোলন করে, ঢাকা-আরিচার মতো ব্যস্ততম সড়ক অবরোধ করে। এটা শক্তিশালী বার্তা ছিল। ১৫ তারিখ যখন ভিসির বাসভবনে আমরা যারা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আশ্রয় নিয়েছিলাম, তাদের ওপর আক্রমণ করা হয়। সেই হামলায় যখন নরকীয় তাণ্ডব চলছে সে সময় আমাদের হলে থাকা দুই-তিন হাজার শিক্ষার্থী একসঙ্গে এসে আমাদের ভিসির বাসভবন থেকে উদ্ধার করে এবং পুলিশ ও ছাত্রলীগকে ধাওয়া করে। পুলিশ, ছাত্রলীগ ও বহিরাগতরা ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। সেই রাতের জাহাঙ্গীরনগরের বিজয় পরদিন পুরো বাংলাদেশের মানুষ ও ছাত্রছাত্রীকে উজ্জীবিত করেছে। এছাড়া আমরা অনেকেই এ সময় সরব ছিলাম, যা আরো অনেক শিক্ষককে প্রতিবাদ করতে সাহস জুগিয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘অতীতেও আমরা দেখেছি বিপ্লবকারীরা যে উদ্দেশ্যে বিপ্লব করে তা নানা কারণে শেষ পর্যন্ত পূরণ হয় না। এবার যেন তেমন না হয়, কোনো রাজনৈতিক দল বা সুবিধাবাদী গোষ্ঠী যাতে এ বিপ্লবের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের এ প্রজন্ম অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। তারা যে পরিবর্তনটা শুরু করেছে সে পরিবর্তনটা সবাই মিলে সঠিকভাবে এগিয়ে নিয়ে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।’