ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে এনএসইউ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

শুক্রবার (২১ মার্চ) বিক্ষোভকারীরা জুমার নামাজের পর মিছিল করে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে পরে এনএসইউর ৮ নম্বর গেটে জড়ো হয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।

ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের বর্বরতা ও নৃশংসতার প্রতিবাদ করেছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (২১ মার্চ) বিক্ষোভকারীরা জুমার নামাজের পর মিছিল করে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে পরে এনএসইউর ৮ নম্বর গেটে জড়ো হয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। এ সময় বেশ কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বক্তব্য দেন। যেখানে তারা নিরীহ শিশু, নারী এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি তাণ্ডবের নিন্দা করেন।

তারা ফিলিস্তিনিদের প্রতি পশ্চিমাদের দ্বিমুখী নীতির পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদের গণহত্যা বন্ধে ব্যর্থতারও নিন্দা করেন। শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ড. আব্দুল খালেক, ড. হাফিজ, ড. সাজ্জাদ, ড. আব্দুল মাতিন, ড. তৌফিক মিথিল, ড. কাজী নাদিম, ড. মামুন মোল্লা, ড. নাজমুল ইসলাম, ড. এম এন ইসলাম, ড. এম এ রাশীদ, ড. আশফাক, ড. মহসিন সাজ্জাদ, ড. মাকসুদ আলম, ড. নাফিসা নুর, ড. আসাদ, ইকবাল কবির রোকন, উমর নাসির, মুজতাবা, পারিসা শাকুর, সাবনিন রাহমান স্বর্ণা, আফ্রিদা মাসনুনসহ আরো অনেকে।

তারা মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের মাধ্যমে ইসরায়েল ও তার সমর্থকদের ওপর অবিলম্বে গণহত্যা বন্ধে চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানান। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ওপর জোর দেন যাতে বিশ্বজুড়ে কণ্ঠস্বর শোনা যায়, বিশেষ করে গত জুলাইয়ে বাংলাদেশে গণহত্যার সময় সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব উল্লেখ করেন। গণহত্যা বন্ধে তারা ইসরায়েল এবং তার মিত্রদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান। তারা পূর্ববর্তী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কেনা সব ধরনের ইসরায়েলি পণ্য পরিত্যাগ করার পরামর্শ দেন ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে ইসরায়েলি পণ্য বর্জন করার জন্য জনগণকে উৎসাহিত করেন। পরিশেষে ফিলিস্তিনিরা যাতে স্বাভাবিক ন্যায়বিচার পায় এবং নিপীড়করা পরাজিত হয়, এ প্রার্থনার মাধ্যমে প্রতিবাদ সমাপ্ত হয়।

আরও