মাত্রই শেষ হয়েছে রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজ।
কিন্তু নিম্নমানের কাজের কারণে রুটির মতো গোল হয়ে উঠে আসছে রাস্তার কার্পেটিংয়ে ব্যবহূত পিচ।
এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে নাটোরের লালপুর উপজেলার দুড়দড়িয়া ইউনিয়নের রাধাকৃষ্ণপুর কালী মন্দির থেকে মির্জাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তায়।
রাস্তাটি সংস্কার করতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০ লাখ টাকা।
কার্পেটিং এতই নিম্নমানের করা হয়েছে, কেউ হাত দিয়ে আঁচড় দিলে তা উঠে আসছে।
এ অবস্থায় নিম্নমানের কাজের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায় এলাকাবাসী।
এলজিইডি সূত্র জানায়, এক কিলোমিটার রাস্তার সঙ্গে তিনটি কালভার্টসহ মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৭০ লাখ টাকা।
কাজটি পায় এসএম সামছুল ইসলাম নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
এসএম সামছুল ইসলাম নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পেলেও সংস্কার কাজটি করেন ঠিকাদার বাবু।
নিম্নমানের কাজের বিষয়ে তিনি বলেন, বিটুমিন কম থাকার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
তবে নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশনা মতে পুনরায় কাজটি করে দেয়া হবে।
নাটোর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার নজরে আসার পরই ল্যাবরেটরি প্রকৌশলীকে পাঠিয়ে মালামাল পরীক্ষা করা হয়।
পরীক্ষাগারে ত্রুটি ধরা পড়ায় এ কাজে তদারকির দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রকৌশলী এবং উপসহকারী প্রকৌশলীকে শোকজ করা হয়েছে।
তাছাড়া ঠিকাদারকে চিঠি দিয়ে পুনরায় কাজ করার জন্য বলা হয়েছে।
তাছাড়া ঠিকাদারকে কাজের বিল পরিশোধ করা হয়নি।
সংস্কারকাজ ঠিকমতো না হওয়া পর্যন্ত বিল পরিশোধ করা হবে না।