অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।আজ রোববার রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে অনুসন্ধান কর্মকর্তা উপ-সহকারী পরিচালক সুদীপ কুমার চৌধুরী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এর আগে গত ১৬ মার্চ শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেয় দুদক।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রফেসর মো. আবুল কালাম আজাদ নিজের দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ২২ লাখ ৮ হাজার ৮৬৬ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন।
এছাড়া অনুসন্ধানে সাবেক চেয়ারম্যানের জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ৪৩ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯৭ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পেয়েছে দুদক। যা তিনি নিজে ভোগদখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় অপরাধ করেছেন।
একই সঙ্গে অবৈধভাবে অর্জিত প্রায় ৪৪ লাখ টাকার উৎস, প্রকৃতি, অবস্থান ও মালিকানা আড়াল করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করার চেষ্টা করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে। যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে জানিয়েছে দুদক।
এর আগে গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন স্থাপনা মেরামত, সংস্কার ও নির্মাণকাজ না করে প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সচিবসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ৩টি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গত বছরের ২৩ নভেম্বর দুর্নীতির দায়ে ওএসডি হন মকবুল। ওই দিনই বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক থেকে মো. হাবিবুর রহমানকে চেয়ারম্যান হিসেবে পদায়ন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।