নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার সূর্যমুখী ঘাটসংলগ্ন মেঘনা নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিনটি বোট ও ১ হাজার ১৯৪ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। জব্দ সারগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ১৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা। শনিবার রাতে এ অভিযান পরিচালনা করে হাতিয়ার কোস্টগার্ডের একটি দল। সারগুলো মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।
আটকরা হচ্ছেন—কক্সবাজারের পিত্তমখালী গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে আবুল কাশেম, সন্দ্বীপ উপজেলার উরিরচর এলাকার মুন্সি মাঝির ছেলে মো. সালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম খুলশী থানার দামপাড়া টাইগার পাস এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে মো. সোহেল, নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলার সূর্যমুখী শূন্যের চর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে মো. বাহার, ঢাকার দোহার উপজেলার মেথুলা বাজার দক্ষিণ শিমুলিয়া গ্রামের আলাউদ্দিন মোল্লার ছেলে মো. আক্তার হোসেন, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার আঠিয়া তলি গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে আনোয়ার হোসেন, ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর গ্রামের সালেহ আহাম্মদের ছেলে মো. সাহেল, পিরোজপুর নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) রাজাবাড়ী গ্রামের নুরুল হুদার ছেলে মো. নেছার উদ্দিন ও তার ছেলে মো. সম্রাট মিয়া।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, একটি চক্র বাংলাদেশী পণ্যের বিনিময়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা, বিদেশী মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য দেশে আনতে যাচ্ছে—গোপন সূত্রে এমন সংবাদ পেয়ে রাত ১টার দিকে কোস্টগার্ড স্টেশন হাতিয়ার একটি দল সূর্যমুখী ঘাটসংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক তিনটি বোটে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে শুল্ক ও কর ফাঁকি দিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা ১ হাজার ১৯৪ বস্তা রাসায়নিক সারসহ নয়জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, ‘আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।’
চোরাচালান, মাদক ও অবৈধ বাণিজ্য রোধে কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
এর আগে হাতিয়ার হরণি ইউনিয়নে ৬৭০ বস্তা সার আটক করে পুলিশে দিয়েছিল স্থানীয়রা। এছাড়া সুবর্ণচরের মোহাম্মদপুরেও সম্প্রতি সাড়ে ৩০০ বস্তা সার জব্দ করা হয়।