অধ্যাপক ড. এম লুৎফর রহমান

বৈশ্বিক র‍্যাংকিংয়ে ধীরে ধীরে উন্নতি করতে হবে

শিক্ষার গুণগত মান সম্পর্কে বলতে গেলে প্রথমেই যে বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে হবে—শিক্ষা যেন সঠিকভাবে হয়। এর জন্য একটা সিলেবাস থাকবে। একটা সময়সীমা থাকবে। ইউনিটস থাকবে। ক্রেডিটস থাকবে।

শিক্ষার গুণগত মান সম্পর্কে বলতে গেলে প্রথমেই যে বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে হবে—শিক্ষা যেন সঠিকভাবে হয়। এর জন্য একটা সিলেবাস থাকবে। একটা সময়সীমা থাকবে। ইউনিটস থাকবে। ক্রেডিটস থাকবে। আউটলাইন থাকবে। এগুলো যেন পরিপূর্ণভাবে করা হয়। আমরা অনেক অভিযোগ শুনি, পর্যাপ্ত ক্লাস না নিয়েই কোর্স শেষ করে দেয়া হয়। এটা কোনোভাবেই উচিত নয়। মেজরমেন্ট অব দ্য কোর্স। একটা কোর্সের সময় কত হবে? ক্লাস চলবে কত সময়? ল্যাব ক্লাস হবে কত সময়? এগুলো যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হয়। আপনি যদি শিক্ষার গুণগত মান বজায় রাখতে চান তাহলে একজন গ্র্যাজুয়েটকে প্রফেশনাল ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। গবেষণার বিষয়ে বলতে গেলেও কোয়ালিটির কথা আসবে। আজ লাখ লাখ জার্নাল আছে, কোথাও একটা গবেষণা পাবলিশ হলেই হবে না। সেটা কিউ ওয়ান, কিউ টু মানের হতে হবে। এর পরের যে জার্নালগুলো আছে সেগুলো তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ। উদ্ভাবন বলে একটা কথা আছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনমূলক কাজে যুক্ত করতে হবে। এখানে নতুন আইডিয়া আসবে এবং তা বাস্তবায়নের পদ্ধতিও বলা হবে। র‍্যাংকিং সম্পর্কে বলতে গেলে এটা খুবই বড় এরিয়া। এখন অনেক র‍্যাংকিং ইনস্টিটিউশন গড়ে উঠেছে। খুব পরিচিত একটা প্রতিষ্ঠান হলো টাইমস হায়ার এডুকেশন র‍্যাংকিং। আছে কিউএস র‍্যাংকিং। বৈশ্বিক র‍্যাংকিংয়ে আমাদের ইউনিভার্সিটির অবস্থা সন্তোষজনক নয়। টাইমস র‍্যাংকিংয়ের প্রথম ১০টি ইউনিভার্সিটিই ইউরোপের। অন্যদিকে প্রথম এক হাজার ইউনিভার্সিটির তালিকায় আমাদের আছে মাত্র পাঁচটি। আমাদের ইউনিভার্সিটিগুলোর র‍্যাংকিং ধীরে ধীরে বাড়াতে হবে। এটা যদিও সহজ নয়। বেশকিছু ক্রাইটেরিয়ায় ভালো করতে হয়। তবু আমাদের ধীরে ধীরে র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি করতে হবে।

—অধ্যাপক ড. এম লুৎফর রহমান, উপাচার্য, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

আরও