দেশের যুবসমাজকে দক্ষ করে তোলা এবং তাদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার প্রধান লক্ষ্য নিয়ে জাতীয় যুবনীতি-২০১৭ সংশোধনের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিয়াম ফাউন্ডেশনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ বিষয়ে একটি জাতীয় ইনসেপশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল বাংলাদেশের সহায়তা এবং জাতীয় পরামর্শক ও ভিএসও বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে নীতি সংশোধনের জন্য আনুষ্ঠানিক পরামর্শ ও তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হলো।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, পরিবর্তিত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে যুবকদের দক্ষতা বাড়ানো ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই হবে আসন্ন সংশোধিত যুবনীতির মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সব অংশীজনের মতামত নিয়ে একটি বাস্তবধর্মী ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। যুবকদের আস্থা অর্জনকে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও সৃজনশীল ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে খুব দ্রুত একটি যুব কাউন্সিল গঠন করা হবে।
কর্মশালায় জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন কামকং বলেন, দেশের তরুণরা এরই মধ্যে ব্যবসা, উদ্ভাবন এবং দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নেতৃত্ব দিচ্ছে। নতুন নীতিতে দেশের সব অঞ্চলের পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঠিক প্রতিফলন ঘটাতে হবে। একটি আধুনিক নীতি তৈরির পাশাপাশি তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলমের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহের হোসেন। এছাড়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুব অনুবিভাগের যুগ্মসচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কর্মকর্তা, জাতিসংঘের উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তরুণ প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।