রি-পারপাসিং ও রি-স্কোপিংয়ের মাধ্যমে এসব প্রকল্পের উদ্দেশ্য, আকার, পরিধি ও বাস্তবায়ন কাঠামো নতুন করে নির্ধারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ৫৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের চলমান প্রকল্পের পাশাপাশি এ তালিকায় রয়েছে ‘সবুজ পাতা’য় (নীতিগত সম্মতি) থাকা অননুমোদিত প্রকল্পও, যার মোট ব্যয় ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি।
জানা গেছে, পরিকল্পনা কমিশনের চারটি বিভাগ প্রকল্পগুলো পুনরায় যাচাই করছে। তবে চলমান প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও পরিধি পরিবর্তন কিংবা নতুন কাজ যুক্ত করার উদ্যোগে প্রকল্প ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি বাস্তবায়নকালও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার ক্ষেত্রে নতুন ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সচিব মো. মামুন আল রশীদ এক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা দেখছেন। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘প্রকল্পগুলো পুনর্গঠন করতে গেলে এরই মধ্যে যেসব অর্থ ব্যয় হয়েছে, সেগুলো অপচয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। এছাড়া প্রকল্পের স্কোপ পরিবর্তন হলে বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হতে পারে। বাড়তে পারে ব্যয় ও বাস্তবায়ন সময়ও। একাধিক প্রকল্পে এমন পরিবর্তন হলে সামগ্রিকভাবে একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেয়া চলমান এবং প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোও পুনর্গঠনের আওতায় আসছে। নির্বাচনী ইশতাহারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে কাজের পরিধি পরিবর্তন, প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন কার্যক্রম সংযোজন বা বিদ্যমান কাজ বাদ দেয়া এবং প্রকল্প ব্যয় পুনর্নির্ধারণ করা হবে।
পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, কমিশনের চারটি বিভাগের আওতায় থাকা হাজারের অধিক চলমান প্রকল্পের মধ্য থেকে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো ১৫৫টিকে পুনর্গঠনের জন্য প্রস্তাব করেছে। এর বাইরে ‘সবুজ পাতা’য় থাকা ২৬৭টি অননুমোদিত প্রকল্পও পুনর্গঠনের তালিকায় রয়েছে। সব মিলিয়ে কাজ চলছে ৪২২টি প্রকল্প নিয়ে।
এ পর্যন্ত ৪৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের প্রকল্পের তালিকা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। বাকি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে চারটির কোনো প্রকল্প নেই। অন্য সাতটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ জানিয়েছে, তাদের কোনো প্রকল্প পুনর্গঠনের প্রয়োজন নেই।
পরিকল্পনা কমিশনের বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, আর্থসামাজিক অবকাঠামো বিভাগের আওতায় থাকা ৫৭৩টি প্রকল্পের মধ্যে ১৩২টি পুনর্গঠনের জন্য বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। শিল্প ও শক্তি বিভাগের আওতায় ২৩৩টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ২৫টি। কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের আওতায় থাকা ৬৩৩টি প্রকল্পের মধ্যে ১২০টি এবং ভৌত অবকাঠামো বিভাগের ৯৩১টির মধ্যে ১৪৫টি পুনর্গঠনের তালিকায় রয়েছে। এছাড়া বৈদেশিক অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ২৮৮টি প্রকল্পের মধ্যে কোন কোন প্রকল্প পুনর্গঠনের প্রয়োজন, সে বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) কাছে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত ১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নির্বাচনী ইশতাহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলমান ও ‘সবুজ পাতা’র প্রকল্পগুলো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে তাদের প্রকল্পের তালিকা পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। ২০ আগস্ট ৪৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে মোট ৪২২টি প্রকল্পের তালিকা পরিকল্পনা কমিশনে জমা পড়ে। এরপর সেগুলো যাচাই ও পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আরো তিনটি সভা হয়।
প্রকল্পগুলোর তালিকা চূড়ান্ত ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব যাচাই করতে গঠন করা হয়েছে ‘রি-স্কোপিং ও রি-পারপাসিং সংক্রান্ত কমিটি’। কমিটির সভাপতি করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. নেয়ামত উল্ল্যা ভূঁইয়াকে। কমিটিতে পরিকল্পনা কমিশনের চার বিভাগের সদস্যরা ছাড়াও অর্থ মন্ত্রণালয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিবরা সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন হলেও চলমান প্রকল্প পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে ব্যয় ও সময়ের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। কারণ এরই মধ্যে বাস্তবায়ন শুরু হওয়া প্রকল্পে বড় ধরনের পরিবর্তন আনলে নতুন করে নকশা, প্রাক্কলন ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
এ বিষয়ে ভৌত অবকাঠামো বিভাগের প্রধান কবির আহামদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সরকার গুচ্ছ পদ্ধতিতে একই উদ্দেশ্যের প্রকল্পগুলো একটি জায়গায় নিয়ে আসতে এ উদ্যোগ নিয়েছে। সেজন্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছিল। তারা যাচাই করে রি-স্কোপিং ও রি-পারপাসিংয়ের জন্য প্রকল্প পাঠায়। কীভাবে ব্যয় কমিয়ে প্রকল্প একীভূত করা যায় সেগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। একত্র করতে গিয়ে আবার প্রকল্প চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে কিনা সেটা নিয়েও এখন আলোচনা হচ্ছে। সেজন্য আমরা এখনই চূড়ান্ত না করে বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে দেখছি।’
দেশে প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বারবার বরাদ্দ ও মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও প্রশ্ন তোলেন। চলমান থাকা প্রকল্পের পরিধি কিংবা নকশা পরিবর্তন হলে জটিলতা বাড়তে পারে বলেও মনে করেন তারা। বিশেষ করে যেসব প্রকল্প এরই মধ্যে ধীরগতিতে এগোচ্ছে, সেগুলোর পরিধি বাড়ানো হলে বাস্তবায়নে আরো সময় লেগে যাবে। বাড়বে বরাদ্দের পরিমাণও।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পানিসম্পদের একটি প্রকল্পের পরিচালক বলেন, ‘কৃষি, পানি ও স্থানীয় সরকারের অধিকাংশ প্রকল্প একই ধরনের, কিন্তু সেগুলোর নির্বাচিত স্থান, বরাদ্দ ও মেয়াদ একেক। এখন যদি সরকার সেগুলো একত্র করতে চায় তাহলে প্রকল্পে নতুন কাজ যুক্ত হবে। এছাড়া নকশা পরিবর্তন, জমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন ও বাস্তবায়নকারী সংস্থার সক্ষমতার ঘাটতির কারণে অনেক প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়াতে হবে।’
সরকারের প্রকল্প পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় নানা জটিলতা দেখছেন পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারাও। এরই মধ্যে তারা ১০টি চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করেছেন। কর্মকর্তারা বলছেন, কয়েকটি প্রকল্প একীভূত করে একটি প্রকল্প করা হলে এর বরাদ্দ বড় আকার ধারণ করবে। নতুন করে প্রকল্প পুনর্বিন্যাস, নাম পরিবর্তন, বাজেট একীভূতকরণ ও অনুমোদনের জন্য আবার একনেকে উপস্থাপনের প্রয়োজন হবে, যা সময়সাপেক্ষ। এছাড়া প্রকল্পের দায়ভার নিয়েও জটিলতার আশঙ্কা রয়েছে। কোনো প্রকল্প ৫০ শতাংশ বাস্তবায়ন হলেও ১০ শতাংশের কম অগ্রগতি হওয়া অন্য প্রকল্পের দায়িত্ব নিতে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ অনাগ্রহী হতে পারে। ধীরগতির প্রকল্পের সঙ্গে অডিট আপত্তি ও সরকারের কাছে জবাবদিহির বিষয় থাকায় একই ধরনের একাধিক প্রকল্প একীভূত হলে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগেও তৈরি হতে পারে জটিলতা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ‘রি-স্কোপিং ও রি-পারপাসিং সংক্রান্ত কমিটি’র সদস্য এবং কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সচিব) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সরকার নির্বাচনী ইশতাহারের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করতে উদ্যোগটা নিয়েছে। তবে এখানে কিছু চ্যালেঞ্জ আমরাও দেখছি। কারণ অনেকগুলো প্রকল্প একত্র করতে হলে সেখানে অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। অনেক প্রকল্পের বাস্তবায়ন ৩০ শতাংশের ওপরে আবার অনেকগুলোয় সামান্য অগ্রগতি। এ নিয়েও জটিলতা তৈরি হতে পারে। আবার অর্থায়নের ক্ষেত্রে সরকার, বিদেশী দাতা সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের অর্থায়ন কীভাবে হবে সেগুলোও পর্যালোচনা করতে হবে।’
সঠিক যাচাই না করে প্রকল্প পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিলে প্রকল্পে সংকট তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, পুনর্গঠনের আগে প্রতিটি প্রকল্পের আর্থিক মূল্যায়ন করা জরুরি। সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘চলমান প্রকল্পগুলোকে রি-পারপাস করার ক্ষেত্রে এরই মধ্যে যে অর্থ ব্যয় হয়েছে, সেটি যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখা দরকার। বিশেষ করে যে প্রকল্প এখনো শুরু হয়নি বা একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে, সেগুলোর ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ ও সমন্বয় করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে প্রকল্পগুলো আরো ব্যয় সাশ্রয়ীভাবে বাস্তবায়ন করাও সম্ভব হতে পারে। কিন্তু যেসব কাজ এরই মধ্যে বেশকিছুটা অগ্রসর হয়েছে, সেগুলোকে বাদ দিয়ে আবার নতুন করে প্রকল্প গ্রহণে অর্থ অপচয়ের আশঙ্কা থেকে যায়। তাই রি-পারপাসিংয়ের ক্ষেত্রে এরই মধ্যে বাস্তবায়িত কাজ ও ব্যয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেয়া বাঞ্ছনীয়।’
বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, ব্যয়বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির বিষয়টিও এখানে বড় উদ্বেগের। সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচিতে বছরের পর বছর ধরে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রবণতা রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ না হওয়ায় জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ব্যয়ও বাড়ে। নতুন করে প্রকল্পের পরিধি পরিবর্তন করা হলে সময়ক্ষেপণ আরো বাড়তে পারে।
পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এসএম শাকিল আখতার অবশ্য বণিক বার্তাকে বলেন, ‘পুনর্গঠনের জন্য এখন শুধু প্রকল্পগুলো চিহ্নিত করেছি। কোন প্রকল্পের সঙ্গে কোনটির অ্যাডজাস্ট (সমন্বয়) হবে, সেটা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় করবে। একাধিক প্রকল্পের সমজাতীয় কাজ একত্র করার প্রক্রিয়া চলছে। চলমান ও সবুজ পাতায় থাকা অনেক প্রকল্প পুনর্গঠন হবে। কোনো অংশ যদি প্রয়োজনীয় না হয় সে কাজ বাদ যাবে। এতে প্রকল্পের ব্যয় বাড়বে না, তবে মেয়াদ বাড়তে পারে।’
নতুন করে পুরো কাজ শুরু করতে হবে না জানিয়ে সচিব বলেন, ‘একই ধরনের কাজ আগেই শুরু হয়ে গেছে। এখানে আরেকটি বড় সুবিধা হলো সমজাতীয় কাজের জন্য নতুন করে ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে হবে না। এতে অর্থ ও সময় দুটিই অপচয় হয়। পরবর্তী সময়ে রি-পারপাসিংয়ের মাধ্যমে এ অপচয় কমানো সম্ভব হবে।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন হলেও চলমান প্রকল্প পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে ব্যয় ও সময়ের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা জরুরি। কারণ এরই মধ্যে বাস্তবায়ন শুরু হওয়া প্রকল্পে বড় ধরনের পরিবর্তন আনলে নতুন করে নকশা, প্রাক্কলন ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সরকার প্রকল্প পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘পুনর্গঠন মানে প্রকল্প সমন্বয় করা। যেসব প্রকল্প অনেকদিন ধরে শেষ হচ্ছে না এবং একই ধরনের আরো যেসব প্রকল্প নেয়া আছে সেগুলোর মধ্যে সমন্বয় করতে এ পদক্ষেপ। এতে নতুন করে ব্যয় বাড়বে তা নয়, বরং কমানো যাবে। এছাড়া পরবর্তী সময়ে প্রকল্প নেয়ার ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের গতি বাড়াতেও এটি ভূমিকা পালন করবে।’