কুমিল্লা
ও চাঁদপুরে হঠাৎ গ্যাস সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহক। তাদের দাবি, এ ব্যাপারে কোনো
ধরনের নোটিস দেয়া হয়নি। মাইকিংও করা হয়নি। প্রস্তুতি না থাকায় অনেকে
রান্না করতে পারেননি। হোটেল থেকেই খাবার এনে খেতে হচ্ছে তাদের।
কুমিল্লার বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড কর্তৃপক্ষ বলছে, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গ্যাস সঞ্চালন লাইনে ফাটল দেখা দিয়েছে। এজন্য কুমিল্লা ও চাঁদপুরে বাসাবাড়িতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। কুমিল্লা ইপিজেডেও সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ। আজ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কুমিল্লার আবাসিক গ্রাহকরা জানান, গতকাল সকাল থেকে নগরের রেস্তোরাঁগুলোয় বেড়েছে মানুষের ভিড়। অনেক বাসাবাড়িতে ব্যবহার করা হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস। কোথাও কোথাও মাটির চুলায় রান্না করতে দেখা গেছে।
কুমিল্লার শাকতলার রেশমা আক্তার জানান, গত বুধবার সকাল থেকে গ্যাস নেই। কখন আসবে তাও জানেন না। হোটেল থেকে খাবার এনে খেয়েছেন। গতকাল সকালে বাসার ছাদে মাটির চুলায় রান্না করেছেন।
নগরের ছোটরার বাসিন্দা রবিউল জানান, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে গ্যাস নেই। গতকাল সকালে লাইনে দাঁড়িয়ে হোটেল থেকে পরোটা ও সবজি কিনে আনেন। পরে সন্তানদের তা খাইয়ে স্কুলে পাঠান। মাটির চুলায় রান্নার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। তবে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণে তাও সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে কুমিল্লার বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের প্রকৌশল সেবার ব্যবস্থাপক মীর ফজলে রাব্বী বলেন, ‘চট্টগ্রামের আনোয়ারায় গ্যাস সঞ্চালন লাইনে ফাটল ধরায় কুমিল্লার ৯০ শতাংশ বাসাবাড়িতে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ইপিজেডেও সরবরাহ বন্ধ।’
একই অবস্থা চাঁদপুরেও। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় শহর ও আশপাশের আবাসিক গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েছেন। তাদের দাবি, কোনো ধরনের নোটিস দেয়া হয়নি। কোম্পানির পক্ষ থেকে মাইকিংও করা হয়নি। প্রস্তুতি না থাকায় অনেকে রান্না করতে পারেননি। দুদিন ধরে হোটেল থেকেই খাবার এনে খেতে হচ্ছে।
শহরের নিউ ট্রাক রোডের বাসিন্দা রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘এর আগে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা হলে মাইকিং করা হতো। এবার তাও করা হয়নি।’