ত্রিশালে দেশের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণে সমীক্ষা চলছে: বিমানমন্ত্রী

বিমানমন্ত্রী বলেন, ত্রিশালে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে এবং এ লক্ষ্যে সমীক্ষা করা হচ্ছে। ময়মনসিংহের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ও শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হবে। বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সংসদ সদস্য, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চান বলেও জানান তিনি।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে দেশের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের লক্ষ্যে সমীক্ষা চলছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে আগামী আট থেকে ১০ বছর পর্যন্ত দেশের বিমান পরিবহন খাতের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। এরপর বৃহত্তর পরিসরের আরেকটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রয়োজন হতে পারে।

আজ রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়ায় সিটি করপোরেশন আয়োজিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিমানমন্ত্রী বলেন, ত্রিশালে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে এবং এ লক্ষ্যে সমীক্ষা করা হচ্ছে। ময়মনসিংহের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ও শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হবে। বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সংসদ সদস্য, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চান বলেও জানান তিনি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মূলধারায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ প্রসঙ্গে এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, গত ১৭ বছর বৃহত্তর ময়মনসিংহে এ উল্লাস স্থিমিত ছিল। পড়াশোনাসহ সার্বিক কার্যক্রমে এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর স্বচ্ছতা ও উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ময়মনসিংহ বিভাগকে অনুন্নত হিসেবে দেখতে চান না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, নেত্রকোনার বিরিশিরি এলাকাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এ বিভাগের সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ, মুক্তাগাছা আসনের সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু এবং ঈশ্বরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন

আরও