বেগমগঞ্জে নির্মাণ শ্রমিকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

নোয়াখালীতে মো. রাশেদ (১৯) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বেলা ১১টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার হরিবল্লবপুর গ্রামের একটি বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত রাশেদ বেগমগঞ্জের আলাইয়ারপুর গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে।

নোয়াখালীতে মো. রাশেদ (১৯) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বেলা ১১টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার হরিবল্লবপুর গ্রামের একটি বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত রাশেদ বেগমগঞ্জের আলাইয়ারপুর গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে।

নিহতের স্বজনরা জানায়, রাশেদ ঢাকায় নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। লকডাউনের কারণে সম্প্রতি বাড়িতে আসেন। কয়েক দিন আগে রাশেদের সঙ্গে একই বাড়ির রুবেলের ঝগড়া হয়। তারই জের ধরে রুবেল তার সহযোগীরা একাধিকবার হামলা চালিয়ে রাশেদকে পিটিয়ে আহত করে। তার বাবা বেগমগঞ্জ থানায় অভিযোগ করলে আরো ক্ষিপ্ত হয় রুবেল তার সহযোগীরা। মামলার ঘটনার জের ধরে রুবেলের সহযোগী শাকিল, সুজন, আকবর, মারুফ, মঞ্জুসহ আরো কয়েকজন রাশেদের চাচা লোকমান হোসেনকেও মারধর করে। পরে ওই ঘটনায় তার চাচা থানায় আরো একটি অভিযোগ করেন। সর্বশেষ শনিবার রাত ১০টা থেকে নিখোঁজ হয় রাশেদ। গতকাল সকাল ৬টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের একটি বাগানে রাশেদের মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রাশেদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

নিহতের পরিবারের দাবি, থানায় লিখিত অভিযোগ করার জের ধরে রুবেল তার সহযোগীরা রাশেদকে তুলে নিয়ে হত্যা করে।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সিকদার জানান, ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ রাশেদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুলির চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের পরিবারকে মামলা দিতে বলা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি।

আরও