ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

কার্যক্রমহীন গবেষণা কেন্দ্র, বরাদ্দের প্রায় ৪০ শতাংশ খরচ হচ্ছে না

বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল্যায়নে গবেষণা কার্যক্রম অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। নতুন জ্ঞান সৃষ্টি, প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং নীতিনির্ধারণে অবদান রাখার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

তবে এক্ষেত্রে এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এমনকি দেশের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতের চিত্র পর্যালোচনা করে পাওয়া গেছে হতাশাজনক তথ্য। গবেষণার জন্য বরাদ্দের পরিমাণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় এমনিতেই সীমিত। এর মধ্যেও বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রাপ্ত অর্থের পুরোটা ব্যয় করতে পারছে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে যে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল তার প্রায় ৪০ শতাংশই অব্যয়িত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কেন্দ্রগুলোর চিত্র আরো হতাশাজনক। গত পাঁচ অর্থবছরে বরাদ্দের ৬০ শতাংশেরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে পারেনি গবেষণা কেন্দ্রগুলো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে বরাদ্দ ছিল ২০ কোটি ৭ লাখ, বিপরীতে ব্যয় ১২ কোটি ৬১ লাখ ২৪ হাজার টাকা। অর্থাৎ বরাদ্দকৃত অর্থের ৩৭ দশমিক ১৬ শতাংশ অব্যয়িত থেকে গেছে। এছাড়া গত পাঁচ বছরে মোট বরাদ্দ ছিল ৭০ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। যেখান থেকে ৫৭ কোটি ৩০ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে। অর্থাৎ ১৩ কোটি ৩৬ লাখ ৩৭ হাজার টাকা ব্যয়ই করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়টি, যা সরকারকে ফেরত দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের একটি বড় অংশ দেয়া হয় বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্রকে। তবে এসব কেন্দ্র কোনো অর্থবছরই তাদের প্রাপ্ত বরাদ্দের অর্ধেকও ব্যয় করতে পারেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্রের জন্য মোট বরাদ্দ ছিল ৩৮ কোটি ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এর বিপরীতে ব্যয় হয়েছে মাত্র ১৫ কোটি ১১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। ফলে ২৩ কোটি ১৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা অব্যয়িত থেকে গেছে, যা মোট বরাদ্দের ৬০ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক বলেন, ‘দেশে গবেষকদের সম্মান দেয়া হয় না। সর্বনিম্ন মজুরি দেয়ার বিষয়ে দরদাম করা হয়। গবেষণার ক্ষেত্রে এত কম খরচ করলে ফলাফল ভালো আশা করা যায় না। গবেষকদের অবস্থা এখানে কাজের লোকের মতো। গবেষণায় বরাদ্দ সীমিত হওয়ার পরও যে অর্থ দেয়া হয়, তার একটি বড় অংশ অব্যয়িত থেকে যায়। বরাদ্দ এতটাই কম যে তা দিয়ে অনেক গবেষণা প্রকল্প সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না। এ কারণেই অনেক গবেষক গবেষণা অনুদানের জন্য আবেদন করতে আগ্রহী হন না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কেন্দ্রগুলোর বছরভিত্তিক হিসাব বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪৩টি গবেষণা কেন্দ্রের জন্য ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৬১ লাখ ২৪ হাজার টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫২টি কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দ ছিল ৮ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ৪৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৪৭টি কেন্দ্রের জন্য ৬ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয় ৩ কোটি ৭০ লাখ ৫ হাজার টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে ৫৩টি কেন্দ্রের জন্য ৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আর ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫৫টি কেন্দ্রের জন্য ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ব্যয় হয় মাত্র ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। অর্থাৎ গত পাঁচ বছরে গবেষণা কেন্দ্রগুলোর জন্য বরাদ্দকৃত প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে প্রায় ৬০ টাকাই ব্যয় হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬১টি গবেষণা কেন্দ্র থাকলেও এর উল্লেখযোগ্য অংশ কার্যত নিষ্ক্রিয়। অনেক কেন্দ্রের নিজস্ব কার্যালয় বা পরিচালক নেই। আবার অনেকগুলোর কার্যক্রম সেমিনার, কর্মশালা ও বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক আয়োজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। গবেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার পরিবর্তে কিছু কেন্দ্র কেবল প্রশাসনিক অস্তিত্ব বজায় রেখেছে। এছাড়া অতীতে রাজনৈতিক বিবেচনায়ও কয়েকটি গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

গবেষণা কেন্দ্রগুলোর একাংশের এ নিষ্ক্রিয়তার প্রতিফলন পাওয়া গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্যেও। বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত পাঁচ অর্থবছরে প্রতি বছরই ২০-২৫টি গবেষণা কেন্দ্র তাদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের ১ টাকাও ব্যয় করেনি। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪৩টি গবেষণা কেন্দ্রের মধ্যে ১৫টিতে গবেষণা বরাদ্দের কোনো অর্থ ব্যয় হয়নি, যদিও এসব কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দ ছিল ৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬টিতে কোনো ব্যয় হয়নি, অথচ এসব কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল ১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৪৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ২০টিতে কোনো অর্থ ব্যয় হয়নি। ওই বছর এসব কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ২০২১-২২ অর্থবছরে ২০টি গবেষণা কেন্দ্র বরাদ্দের কোনো অর্থ ব্যয় করেনি, যদিও তাদের জন্য বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ২৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা। একইভাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৪টিতে কোনো ব্যয় হয়নি, অথচ এসব কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল ৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক ড. হাসিনা খান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক ভালো মানের গবেষক রয়েছেন। গবেষণা করতে গিয়ে তাদের অনেক সময় অর্থের অভাবে হিমশিম খেতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে গবেষণা খাতের বরাদ্দের অর্থ ফেরত যাচ্ছে, এটি অবশ্যই বিস্ময়কর। তবে একটি বিষয় হলো, গবেষণা বরাদ্দ থেকে শিক্ষকদের যে অর্থ সাধারণত দেয়া হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপর্যাপ্ত। অনেক ক্ষেত্রে ওই অর্থ দিয়ে একটি গবেষণা প্রকল্প সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না। এ কারণেই অনেক শিক্ষক এ অনুদানের জন্য আবেদন করতে আগ্রহী হন না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন আছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার অগ্রগতি নিশ্চিতে আসলেই এত গবেষণা কেন্দ্র আদৌ প্রয়োজন আছে কিনা সেটিও একটি বড় প্রশ্ন। প্রশাসনের উচিত এসব গবেষণা কেন্দ্রের বিগত বছরগুলোর কার্যক্রম বিবেচনা করে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।’

রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে আরো দেখা গেছে, ব্যবসায় গবেষণা ব্যুরো গত পাঁচ অর্থবছরে ৬৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ পেলেও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১৪ লাখ টাকা ব্যয় করা ছাড়া বাকি চার বছরে গবেষণা খাতে কোনো অর্থ ব্যয় করেনি। অন্যদিকে ভূমিকম্প গবেষণা প্রকল্প গত চার অর্থবছরে কোনো গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা না করলেও এ সময়ে ৬০ লাখ ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। এছাড়া প্রশাসনিক গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র, জলবায়ু পরিবর্তন অধ্যয়ন ও সম্পদ ব্যবহার কেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয় আর্কাইভ ও ইতিহাস গবেষণা কেন্দ্র, জৈব দূষক গবেষণা কেন্দ্র এবং পূর্ব এশিয়া অধ্যয়ন কেন্দ্রসহ মোট সাতটি গবেষণা কেন্দ্রে টানা চার বছর কোনো গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি। একইভাবে নজরুল গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা গবেষণা কেন্দ্র, স্ক্যান্ডিনেভীয় অধ্যয়ন কেন্দ্র, বাংলাদেশ সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্র এবং ড. রঙ্গলাল সেন সেন্টার ফর সাউথ এশিয়ান স্টাডিজসহ আরো আটটি গবেষণা কেন্দ্রে টানা তিন বছর কোনো গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা সমন্বয় ও পর্যবেক্ষণ সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাহাদাত হোসাইন বলেন, ‘গবেষণা তহবিল বরাদ্দের সময় এমন অনেক গবেষণা কেন্দ্রেও অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়, যেগুলো কার্যত সক্রিয় নয়। ফলে বরাদ্দকৃত অর্থের একটি অংশ অব্যবহৃত থেকে যায়।’ তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর হয়ে থাকা গবেষণা কেন্দ্রগুলো বন্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ৮-১০টি গবেষণা কেন্দ্র বন্ধের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, এসব কেন্দ্র বন্ধ হলে গবেষণা খাতের অর্থ আরো কার্যকর ও যথাযথভাবে বণ্টন করা সম্ভব হবে। অব্যয়িত অর্থের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক শাহাদাত হোসাইন বলেন, ‘গবেষণা খাতে বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের পর যে অংশ অবশিষ্ট থাকে তা সরকারি কোষাগারে জমা থাকে।’

এদিকে যে অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে তার স্বচ্ছতা এবং গবেষণার মান নিয়েও প্রশ্ন আছে। শিক্ষকদের মধ্যে যারা গবেষণা খাত থেকে অনুদান লাভ করছেন তাদের একাংশ নিয়ম অনুযায়ীও তাদের কাজের প্রতিবেদন দাখিল করছেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী, প্রতি অর্থবছর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) শিক্ষকদের গবেষণা প্রকল্পের জন্য যে অনুদান প্রদান করে, তার আওতায় সম্পন্ন গবেষণা-সংক্রান্ত প্রতিবেদন এক বছরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেয়া বাধ্যতামূলক। তবে রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্য বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে গবেষণা অনুদানপ্রাপ্ত ৯৬ জন শিক্ষকের মধ্যে ৭৫ জন নির্ধারিত সময়ে গবেষণা প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন; বাকি ২১ জন এখনো দেননি। একইভাবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে অনুদানপ্রাপ্ত ৭৫ জন শিক্ষকের মধ্যে মাত্র ৩৮ জন তাদের গবেষণা জমা দিয়েছেন। অর্থাৎ দুই বছর অতিক্রান্ত হলেও অবশিষ্ট ৩৭ জন শিক্ষক এখনো তাদের গবেষণাপত্র বা চূড়ান্ত প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেননি।

সার্বিক বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, ‘দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য যে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়, তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় অত্যন্ত সীমিত। দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত গবেষণা বাজেটের সমপরিমাণ অর্থ বিশ্বের অনেক খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় একাই ব্যয় করে। ফলে বৈশ্বিক মানের গবেষণা ও উদ্ভাবনে প্রতিযোগিতা করা কঠিন।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য পরিবেশ, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনীতি-সংশ্লিষ্ট গবেষণাকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। তবে পর্যাপ্ত অর্থায়ন, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা এবং স্থায়ী গবেষণা তহবিল ছাড়া কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব নয়।’

আরও