বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অহিংসা চর্চার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে হবে। শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন বিশ্ব গড়তে মহাত্মা গান্ধীর অহিংসার আদর্শ এখনো অনুসরণযোগ্য।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে মহাত্মা গান্ধীর ১৫৭তম জন্মবার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, মহাত্মা গান্ধী শান্তি, সম্প্রীতি ও অহিংস আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়তেও তিনি সংগ্রাম করেছেন। তার আদর্শ অনুসরণ করে সমাজ থেকে সহিংসতা, বিদ্বেষ ও বিভেদ দূর করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী আরো বলেন, টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে শান্তিপূর্ণ সহযোগিতা ও পারস্পরিক সমঝোতার বিকল্প নেই। নদী ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার মনোভাব জোরদার করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে অহিংসার চর্চা ছড়িয়ে দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন মহাত্মা গান্ধীর জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে মানবকল্যাণ, সামাজিক সম্প্রীতি ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের উপ-হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে।