খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের কথা জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, খাল খনন কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে খাল খনন কর্মসূচিকে পুনরুজ্জীবিত করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কার ঐতিহাসিক উদ্যোগকে অনুসরণ করে আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
আজ শনিবার বিকালে মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের বলিয়ারপুর গ্রামে জিয়া খাল পুনঃখননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বলিয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষিব্যবস্থা পুনরুদ্ধার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দখল হয়ে যাওয়া খাল উদ্ধার করা হবে। দীর্ঘদিন খাল খনন না হওয়ায় সেচব্যবস্থায় ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। এ অবস্থার উত্তরণে সরকার পরিকল্পিতভাবে এ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, খাল খননের পাশাপাশি এর পাড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করা হবে; যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য এ কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়ের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মাও. মো. তাজউদ্দীন খান, পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়, মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক জাভেদ মাসুদ মিল্টন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. কামরুল হাসান।
এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাজাহান সিরাজ, কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. জাহেদুল ইসলাম, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাইম কামাল ছিলেন।