চিকিৎসা বিলে ছাড় না দেয়ায় মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতালে হামলা ও ভাংচুর

হামলাকারীরা অভ্যর্থনা কক্ষের জিনিসপত্র, নিচতলার বসার জায়গা ও বাউন্ডারি গ্লাস ভাঙচুর করে। এ সময় হাসপাতালের নিচতলায় থাকা জিনিসপত্র ভাঙচুরের পাশাপাশি লুটপাটও চালানো হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে আসমা নামের এক রোগীর বিলের ওপর ছাড় দেয়ার অনুরোধ করেন তার স্বজনরা। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু টাকা ছাড় দিলেও তারা আরো ছাড় দেয়ার দাবি জানান। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। পরবর্তীতে ওই রোগী চিকিৎসা নিয়ে চলে যান। এরপর হাসপাতালটিতে কয়েকজন দুষ্কৃতকারী জড়ো হয়ে একসঙ্গে হামলা চালায়

চিকিৎসা বিলে ছাড় দেয়া নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। গতকাল দিবাগত রাত ৩টার দিকে একদল যুবক এ হামলা চালায়।

আজ দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক চিকিৎসক শহীদুল বারী। তিনি বলেন, ভোর ৩টার দিকে একদল যুবক এসে অতর্কিত হামলা চালায় এবং হামলাটি পরিকল্পিত বলে তিনি মনে করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে আসমা নামের এক রোগীর বিলের ওপর ছাড় দেয়ার অনুরোধ করেন তার স্বজনরা। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু টাকা ছাড় দিলেও তারা আরো ছাড় দেয়ার দাবি জানান। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। পরবর্তীতে ওই রোগী চিকিৎসা নিয়ে চলে যান। এরপর হাসপাতালটিতে কয়েকজন দুষ্কৃতকারী জড়ো হয়ে একসঙ্গে হামলা চালায়।

হামলাকারীরা অভ্যর্থনা কক্ষের জিনিসপত্র, নিচতলার বসার জায়গা ও বাউন্ডারি গ্লাস ভাংচুর করে। এসময় হাসপাতালের নিচতলায় থাকা জিনিসপত্র ভাংচুরের পাশাপাশি লুটপাটও চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, হামলায় সরকারি গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা জড়িত।

সিটি হাসপাতাল লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ উসমান গনী বলেন, তারা কিছু বুঝে ওঠার আগেই এসে হামলা চালানো হয়। গ্রাফিক আর্টস কলেজের ভেতর থেকে এসব লোকজন এসেছিল বলে তিনি জানান। ধারণা করা হচ্ছে, তারা কলেজটির আবাসিক হলের ছাত্র।

তিনি আরো বলেন, নিচতলার সব জিনিসপত্র ভাংচুর ও লুটপাট করায় তাদের ৫০-৬০ লাখ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ঘটনার পর সকালে পুলিশ কর্মকর্তারা হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছেন। তবে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশকে এ বিষয়ে জানতে ফোন করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও