বেঁধে দেয়া সময় অনুযায়ী কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে। কিন্তু আট মাস পার হলেও ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের নতুন সাত তলা ভবনের কাজ এখনো শেষ হয়নি। গত তিন বছর টিনশেডের কক্ষে আর ফ্লোরেই গাদাগাদি করে সেবা নিচ্ছে রোগীরা। সেবা দিতে গিয়ে বেগ পেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও নার্সকে। বারবার তাগাদা দিয়েও ভবন বুঝে পায়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গণপূর্ত বিভাগ বলছে, ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ বুঝিয়ে না দিলে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
নাছরিন আক্তার নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘পাঁচদিন ধরে আমার বাবা পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি। কক্ষগুলোয় রোগীর সংখ্যা যেমন বেশি, তেমনি অভিভাবকরা থাকায় পুরো কক্ষ আগুনের মতো গরম হয়ে থাকে। দুটি ফ্যান থাকলেও বাতাস গায়ে লাগে না। গরম ও আলো-বাতাস না থাকায় রোগীর শারীরিক অবস্থা বেশি খারাপ হয়।’
তবে কাজে ধীরগতি বা গাফিলতির কথা মানতে রাজি নন প্রাইম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী নুরুন নবী। তার দাবি, টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হলেও গণপূর্ত বিভাগ তাকে জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছে প্রায় এক বছর পর। শুরুতে পুরনো ভবন ভেঙে সেগুলো সরাতেই এক বছর চলে যায় গণপূর্ত বিভাগের। ফলে কাজ শুরু করতে দেরি হওয়ায় শেষ করতেও দেরি হয়েছে। তাছাড়া রানিং বিল যতটা পাওয়ার কথা ততটা না দেয়ায় কিছুটা সময় লাগছে। বর্তমানে নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।