শেরপুর কারাগারে ভাংচুর পালিয়েছে ৫২৭ বন্দি

শেরপুরে জেলা কারাগারে হামলা-অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জেলা কারাগারে আটক থাকা সব বন্দি পালিয়ে যায়।

শেরপুরে জেলা কারাগারে হামলা-অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জেলা কারাগারে আটক থাকা সব বন্দি পালিয়ে যায়। গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

এর আগে সকাল থেকেই সরকারি-বেসরকারি অফিস-স্থাপনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসায় হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বিকালে শেখ হাসিনার পদত্যাগের খবর পেয়ে শেরপুর শহরে আনন্দমিছিল শুরু হয়। এরপর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা কারাগারে হামলা ও ভাংচুর চালায় দুর্বৃত্তরা। এক পর্যায়ে কারাগারের প্রধান গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং লুটপাট চালায়। এ সময় কারাগারে থাকা ৫২৭ বন্দি পালিয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই শেরপুর শহরের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এক পর্যায়ে শেরপুর সদর থানা, জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটের ডরমিটরি, শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ কার্যালয়, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, আওয়ামী লীগ অফিস, শেরপুর-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছানুয়ার হোসেন ছানুর বাড়ি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমানের বাড়ি, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুন্নাহার কামাল, সাধারণ সম্পাদক নাসরিন বেগমের বাড়িসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল খায়রুম কারাগারে ভাংচুর, লুটপাট ও বন্দি পলায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘‌জেলা কারাগারে দুর্বৃত্তরা হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। এ সময় সব আসামি পালিয়েছে।’

আরও