তিনি বলেছেন, ‘উপনির্বাচন বলে এটিকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। কমিশন এ নির্বাচনকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। দায়িত্ব পালনে কেউ অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
গতকাল সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ শূন্য আসনে উপনির্বাচন উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মো. সানাউল্লাহ এসব কথা বলেন। নির্বাচনের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এ মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
নির্বাচনী মাঠে দায়িত্ব পালন নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে, সংঘাত ও রক্তপাত ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। তবে কিছু প্রিজাইডিং কর্মকর্তার অসতর্কতার কারণে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি উপনির্বাচনে কেন্দ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সানাউল্লাহ বলেন, ‘অতীতে নির্বাচন নষ্ট করার অন্যতম কারণ দেখেছিলাম, আমরা যে টিম ভোট কেন্দ্রে পাঠিয়েছিলাম যথাযথভাবে তাদের প্রশাসনিক সহায়তা দেয় নাই। এতে তারা স্থানীয় আতিথেয়তা গ্রহণ করেছে। ফলে পরদিন ওই হোস্ট যখন কেন্দ্রে তার দলবল নিয়ে প্রভাব বিস্তার করে, তখন আর নৈতিক দৃঢ়তা থাকে না তাদের বাধা দেয়ার। তবে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেটা হতে দিই নাই।’
এ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনুর রশিদ, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশিদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. শাহজাহান, নওগাঁ ১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুম, আনসার বাহিনীর রাজশাহী রেঞ্জের পরিচালক শফিকুল ইসলাম, বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ, ৪০ বীরের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট তানভীর আহমেদ তমাল, রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলুল করিমসহ সংশ্লিষ্টরা।