দেশের বাজারে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের কমল স্বর্ণের দাম। সর্বশেষ দফায় ২২ ক্যারেটে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৫০ টাকা।
আজ সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এ সমন্বয়।
এ নিয়ে পরপর চার দফা কমানো হলো স্বর্ণের দাম। গত ২ জুন ভরিপ্রতি কমানো হয় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। এর পর ৬ জুন ৫ হাজার ৪৮১ টাকা ও ১০ জুন কমানো হয় ৬ হাজার ৫৯১ টাকা। সব মিলিয়ে চার দফায় ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম কমেছে ১৯ হাজার ৭৭১ টাকা। গতকাল ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা।
হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৫০ টাকা। ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৮ হাজার ৪৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯২ এবং সনাতন পদ্ধতিতে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫০৮ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ৭৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। দাম বেড়েছে ৩৭ দফা ও কমেছে ৩৬ দফা। আর গত বছর ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই সময় ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল ও কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
স্বর্ণের পাশাপাশি রৌপ্যের দামও কমিয়েছে বাজুস। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রৌপ্যের দাম ৫৮ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮৪১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৯৬৬ এবং সনাতন পদ্ধতিতে রৌপ্যের দাম ভরিপ্রতি ২ হাজার ৯৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ৪৪ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রৌপ্যের দাম। বেড়েছে ২২ দফা ও কমেছে ২২ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রৌপ্যের দাম, যার মধ্যে ১০ দফা বেড়েছিল।