সকাল থেকে বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্ত এলাকাগুলো। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সীমান্তবর্তী হোয়াইক্যং ও হ্নীলা ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে— সংঘাত তীব্র হওয়ায় নতুন করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নাফ নদী ও সীমান্তজুড়ে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের টহল জোরদার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, টেকনাফের হোয়াইক্যং ও হ্নীলা সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বলিবাজার ও কুমিরখালী এলাকায় সংঘর্ষ চলাকালে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় সীমান্তসংলগ্ন কয়েকটি এলাকার বাড়িঘর কেঁপে ওঠে বলে দাবি স্থানীয়দের।
দিন ও রাতে মংডু এলাকায় বিমান হামলার খবর পাওয়া যায়। স্থানীয় জেলে মুজিবুর রহমান বলেন, ‘সকালে নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলাম। কিন্তু দুপুরের দিকে সীমান্তের ওপার থেকে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত তীরে ফিরে আসি।’
উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘সীমান্তের ওপার থেকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। পরিস্থিতির ওপর বিজিবির কড়া নজরদারি রয়েছে এবং সীমান্তে সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। এদিকে সীমান্তজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।’
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম অনীক চৌধুরী বলেন, ‘মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিস্ফোরণ হয়েছে শুনেছি। সীমান্ত এলাকায় হওয়ায় টেকনাফে কিছুটা আতঙ্ক ছড়িয়েছে, বিজিবি, কোস্টগার্ড সীমান্তে টহলরত রয়েছে, ভয় পাওয়ার কিছুই নেই।’