প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন মৌলভীবাজারের চা শ্রমিকরা

কমলগঞ্জ উউপজেলার মিরতিংগা চা বাগানের শ্রমিক ললিত অলমিক বলেন, আমরা খুব খুশি। আগামীকাল সবাই কাজে যাবো। আন্দোলন করার কারণে ঘরে খাবারও নেই। দেরি হলে সবার ক্ষতি হতো।

চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১৭০ টাকা নির্ধারণ করায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন মৌলভীবাজারের চা শ্রমিকরা। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানান তারা।

এর আগে আজ শনিবার সন্ধ্যায় চা বাগান মালিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠকে চা শ্রমিকদের মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। 

এ খবর প্রকাশের পর মৌলভীবাজারের বিভিন্ন চা বাগানে আনন্দ প্রকাশ করেন শ্রমিকরা। তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষণা দেবেন সেটি মেনে নেবেন বলে তারা আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন। নতুন মজুরি ঘোষণা দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা। আগামীকাল চা বাগানের সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান অনুযায়ী অনেকেই কাচে যাবেন। 

কমলগঞ্জ উউপজেলার মিরতিংগা চা বাগানের শ্রমিক ললিত অলমিক বলেন, আমরা খুব খুশি। আগামীকাল সবাই কাজে যাবো। আন্দোলন করার কারণে ঘরে খাবারও নেই। দেরি হলে সবার ক্ষতি হতো।

শ্রীমঙ্গলের ভাড়াউড়া চা বাগানের শ্রমিক দুলাল হাজরা বলেন, আমরা সফল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের বিষয়টি অনেক গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করেছেন। তার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার প্রকাশের ভাষা নেই।

এ বিষয়ে বাংলাদেশে চা শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা বলেন, আমরা আগেই মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে মজুরি বলবেন সেটাই মেনে নেবো। আমরা অবশ্যই আমাদের কথা রাখব। আগামীকাল বাগান ছুটির দিন সবাই হয়তো কাজে যাবে না তারপরও অধিকাংশ শ্রমিক কাজে যাবে। তারা কাজে যেতে মুখিয়ে রয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

আরও